


দিনাজপুরের পার্বতীপুরে অবস্থিত কয়লাভিত্তিক বড়পুকুরিয়া তাপবিদুৎ কেন্দ্রের তিনটি ইউনিটের মধ্যে প্রথম ও দ্বিতীয় ইউনিট দুটি ১২৫ মেগাওয়াটের এবং তৃতীয় ইউনিটটি ২৭৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন মতাসম্পন্ন। তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ২০২০ সালের নভেম্বর থেকে বন্ধ আছে। গত বছরের ১৬ অক্টোবর ২৭৫ মেগায়াওটের তৃতীয় ইউনিটটিও বন্ধ হয়ে যায়। এই তৃতীয় ইউনিটটি উৎপাদনে ফিরতে পারে আগামী মার্চে মাঝামাঝি সময়ে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আবু বককর সিদ্দিক। গত দুই মাসে চারবার কেন্দ্রের ১২৫ মেগাওয়াটের প্রথম ইউনিটটি বন্ধ হয়েছে। আবার উৎপাদনে ফিরলেও ৪/৫ দিনের বেশি উৎপাদনে থাকতে পারে না।
গত বছরের ৬ ডিসেম্বর বেলা পোনে ১২টার দিকে কেন্দ্রের ১২৫ মেগাওয়াটের প্রথম ইউনিটটি বন্ধ হয়ে যায়। ১৩ ডিসেম্বর রাত পোনে ৯টায় প্রথম ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ফিরে। ফের ৩০ ডিসেম্বর প্রথম ইউনিট বন্ধ হয়ে যায়। পরে, ১৫ দিন পর গত ১৪ জানুয়ারি উৎপাদনে আসে। ৪ দিন বিদ্যুৎ উৎপাদনের পর আবার গত ১৮ জানুয়ারি সকাল ১১টা ১৫ মিনিটে ১২৫ মেগাওয়াট মতাসম্পন্ন প্রথম ইউনিটির বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। এরফলে ওইদিন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায় বিদ্যুৎ কেন্দ্রের তিনটি ইউনিটের উৎপাদন কার্যক্রম। বয়লারের টিউব ফেটে আবার ৪দিন পর অর্থাৎ আজ বুধবার (২১ জানুয়ারী) রাত সাড়ে ৯টায় কেন্দ্রের ১২৫ মেগাওয়াটের প্রথম ইউনিট উৎপাদনে ফিরলো।
প্রথম ইউনিটটি থেকে প্রতিদিন ৫০/৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে। প্রথম ইউনিটি চালু রাখতে প্রতিদিন ৭শ’ থেকে ৮শ’ মেট্রিক টন কয়লা প্রয়োজন পড়বে। বুধবার (২১ জানুয়ারী) রাত ৯টার দিকে প্রথম ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদনের বিষয়টি নিশ্চিত করেন বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী মোঃ আবু বককর সিদ্দিক।
তিনি আরও বলেন, প্রথম ইউনিটের মেরামত শেষে বিকেল ৩টায় বয়লারে ফায়ারিং করা হয়। বুধবার রাত ৯টা ৩মিনিট থেকে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিটটির বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে। কেন্দ্রের অপর ২৭৫ মেগাওয়াটের তৃতীয় ইউনিটটির মেরামত কাজ চলমান। তৃতীয় ইউনিটটি আগামী মার্চ মাসের মাঝামাঝি উৎপাদনে ফিরতে পারে আশা করছি।