
“আজকের পদক্ষেপ,আগামীর ন্যায়বিচার-সুরক্ষিত হোক নারী ও কন্যার অধিকার”এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে সোমবার সকালে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়ের যৌথ আয়োজনে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে বর্ণাঢ্য র্যালিটি বের হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে শেষ হয়। একই সাথে কিশোরগঞ্জ এপি, ওয়ার্ল্ডভিশনের সহযোগিতায় একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। পরে উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ইউএনও তানজিমা আঞ্জুম সোহানিয়ার সভাপতিত্বে সভায় বক্তাব্য দেন, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নুরুন্নাহার শাহজাদী, কৃষি কর্মকর্তা লোকমান আলম,উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী উপজেলা শাখার আমীর আব্দুর রশিদ শাহ্, কিশোরগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হোসেন শহীদ সরোওয়ার্দী গ্রেনেট বাবু, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল গনি, কিশোরগঞ্জ এপি ম্যানেজার সাগর’ডি কস্তা। আরো উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা নীল রতন দেব, উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক একেএম তাজুল ইসলাম ডালিম,জামায়াতের সেক্রেটারি ফেরদৌস আলমসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা,নারী নেত্রী ও বিভিন্ন ট্রেডের প্রশিক্ষণার্থী উপস্থিত ছিলেন।
এসময় বক্তাগণ বলেন, আমাদের কন্যা সন্তান ও নারীদের জন্য ন্যায় বিচার ও সুরক্ষা খুবই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ। সেই দিক দিয়ে বিচার করলে প্রতিপাদ্যটি খুবই যুগোপযোগী। আপনারা জানেন,নারীরা বহু দিক দিয়ে পিছিয়ে আছে। অধিক জনসংখ্যার দেশে অর্ধেকই নারী। তাই নারীর উন্নয়ন ছাড়া দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব নয়। টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে সমাজে জেন্ডার সমতা প্রতিষ্ঠা,নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বনির্ভর করে গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি। আর নারীদের যদি মূল স্রোত ধারায় সম্পৃক্ত করতে না পারি তাহলে আমরা জাতি হিসেবে পিছিয়ে থাকবো। বক্তারা আরও বলেন, নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সকল ধরনের সহিংসতা, বৈষম্য ও নির্যাতন বন্ধ করতে পরিবার,সমাজ এবং রাষ্ট্রকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
Related