1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তিন মাস খাদ্য সহায়তা দেওয়া হবে: ত্রাণমন্ত্রী | দৈনিক সকালের বাণী
সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ০১:৫৭ পূর্বাহ্ন

হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তিন মাস খাদ্য সহায়তা দেওয়া হবে: ত্রাণমন্ত্রী

সদর (লালমনিরহাট) প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : রবিবার, ৩ মে, ২০২৬
  • ১৮ জন দেখেছেন

আকস্মিক ভারী বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলে হাওর অঞ্চলে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের আগামী তিন মাস সরকারের পক্ষ থেকে খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হবে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।

রবিবার লালমনিরহাটের বড়বাড়ি শহীদ আবুল কাশেম মহাবিদ্যালয় মাঠে ‘বিদ্যানন্দ আত্ম-কর্মসংস্থান প্রকল্প ২০২৬’-এর উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান। ত্রাণমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বলেন, হাওর অঞ্চলের জেলাগুলোতে আকস্মিক ঢলের কারণে লাখ লাখ হেক্টর আবাদি জমি ও ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। সেখানকার কৃষকরা চরম অসহায় অবস্থায় পড়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী ক্ষতিগ্রস্ত এসব কৃষকের পাশে দাঁড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন। কৃষকদের সহায়তায় মন্ত্রণালয় থেকে আগামী তিন মাস খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হবে। এ ছাড়া কৃষি মন্ত্রণালয়কে কৃষকদের পুনর্বাসনের জন্য প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে নির্দেশ দিয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তার লক্ষ্যে কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, সিলেটের বিস্তীর্ণ অঞ্চল এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ডুবে যাওয়া অংশগুলোর কৃষকদের ক্ষতির তালিকা প্রস্তুত ও যাচাই-বাছাইয়ের কাজ চলছে। তালিকাভুক্ত কৃষকদের একটি বিশেষ কার্ড দেওয়া হবে, যার মাধ্যমে তাঁরা প্রতি মাসে এই সহায়তা পাবেন। সহায়তা কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের লক্ষ্যে আগামী ৬ মে মন্ত্রী সুনামগঞ্জ সফর করবেন বলেও জানান।

সার্বিক চিত্র তুলে ধরে মন্ত্রী আরও বলেন, হাওর অঞ্চলে যে ক্ষতি হয়েছে তার চূড়ান্ত তালিকা এখনও প্রস্তুত করা সম্ভব হয়নি। কোথাও কৃষকরা ৬০ শতাংশ, আবার কোথাও মাত্র ৪০ শতাংশ ধান ঘরে তুলতে পেরেছেন। পানির নিচে তলিয়ে যাওয়া ধান কাটার জন্য পর্যাপ্ত শ্রমিকও পাওয়া যাচ্ছে না, ফলে কৃষকরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। বর্তমান সরকার জনগণের ম্যান্ডেট পাওয়া সরকার এবং তারা এই বিপদে কৃষকদের অভাব-অনটন দূর করে তাদের পাশে রয়েছে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন। অনুষ্ঠানে বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে যাকাতভিত্তিক আত্ম-কর্মসংস্থান প্রকল্পের আওতায় ১০১টি দরিদ্র ও অসহায় পরিবারের মাঝে আয়বর্ধক উপকরণ বিতরণ করা হয়। এর মধ্যে ৩৩ জনকে দোকানের মালামাল, ২০ জনকে ভ্যানগাড়ি, ১৮ জনকে গরু এবং ৩০ জনকে সেলাই মেশিন দেওয়া হয়।

বিনামূল্যে আয়বর্ধক উপকরণ পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন উপকারভোগীরা। দোকানের মালামাল পেয়ে লাকী আক্তার বলেন, মূলধনের অভাবে তিনি দোকানে মালামাল তুলতে পারছিলেন না। বিদ্যানন্দের টিম তাঁর বাসায় গিয়ে খোঁজ নিয়ে মালামাল কিনে দিয়েছে, যা দিয়ে তাঁর সংসারের অনেকটা উন্নতি হবে। সেলাই মেশিন উপহার পাওয়া জাওভারা বেগম বলেন, গরিব হওয়ায় টাকার অভাবে একটি সেলাই মেশিন কিনতে পারছিলেন না।

এই মেশিন উপহার পাওয়ায় কাজ করে এখন তিনি অভাব দূর করতে পারবেন বলে আশা প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠানে বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক জামাল উদ্দিন বলেন, যাকাতের মূল উদ্দেশ্যকে ধারণ করে দরিদ্র মানুষকে স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে তাঁরা ১০১টি পরিবারকে বাছাই করে এই সহায়তা দিয়েছেন। পর্যায়ক্রমে দেশের ৬৪টি জেলাতেই তাঁদের এই কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )