1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
১ মাসের মধ্যে রামিসার হত্যাকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে | দৈনিক সকালের বাণী
রবিবার, ২৪ মে ২০২৬, ০১:০২ পূর্বাহ্ন

১ মাসের মধ্যে রামিসার হত্যাকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপলোডের সময় : শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬
  • ৩৪ জন দেখেছেন
রাজধানীর পল্লবীতে ৮ বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তারকে হত্যাকারী সোহেল রানার সর্বোচ্চ শাস্তি আগামী এক মাসের মধ্যে সরকার নিশ্চিত করবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

তিনি বলেন, এই ধরনের শিশু নির্যাতন বা নারী নির্যাতন বর্তমান সরকার কোনোভাবেই মেনে নেবে না। বর্তমান সরকার রামিসার হত্যাকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি ইনশাআল্লাহ আগামী এক মাসের মধ্যে নিশ্চিত করবে। সেই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে মৃত্যুদণ্ড। যাতে করে ভবিষ্যতে আর কোনো ব্যক্তি এভাবে শিশু বা নারী নির্যাতন করার সাহস না পায়।

শনিবার (২৩ মে) বিকেলে ময়মনসিংহের ত্রিশালের নজরুল মঞ্চে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন ও নজরুল পুরস্কার-২০২৫ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, কবি নজরুলের জীবন ও কর্ম বিশ্ব সাহিত্য দরবারে আরও বিস্তৃতভাবে ছড়িয়ে দেওয়া প্রয়োজন। তার জীবনদর্শন প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে পৌঁছে দিতে হবে। এ লক্ষ্যে ত্রিশালকে ‘নজরুল সিটি’ হিসেবে ঘোষণা করা যায় কিনা সে বিষয়ে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য তিনি সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ও পর্যটন বিভাগকে আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০৬ সালের পর থেকে জাতীয় কবির অমর স্মৃতি বিজড়িত ত্রিশালে জাতীয় পর্যায়ে নজরুল জয়ন্তী উদযাপন হয়নি। প্রায় দুই দশক পর আজ পুনরায় রাষ্ট্রীয়ভাবে জাতীয় কবির জন্মজয়ন্তী আয়োজন করতে পেরে সরকার গৌরব বোধ করছে।

তিনি উল্লেখ করেন, মরহুম দারোগা রফিজ উল্লাহ ১৯১৪ সালে কবি নজরুল ইসলামকে ত্রিশালের কাজির শিমলা গ্রামে নিজ বাড়িতে আশ্রয় দিয়েছিলেন। এই প্রজন্মের অনেকেই হয়তো জানেন না। ১৯৭৬ সালে ঢাকার শেরে বাংলা উদ্যানে জাতীয় কবির নামাজে জানাজার পর কবির লাশবাহী খাটিয়া যারা কাঁধে করে বহন করেছিলেন তাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। ১৯৭৯ সালের ২৫ মে জাতীয় কবির জন্মজয়ন্তী উপলক্ষ্যে ঢাকার ফার্মগেট থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কবির মাজার পর্যন্ত অনুষ্ঠিত একটি র‍্যালিতেও অংশ নিয়েছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। ত্রিশালে জাতীয় কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছিলেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া।

 

এভাবে জাতির কবির প্রতি সর্বোচ্চ শ্রদ্ধা এবং সম্মান প্রদর্শনের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে কাউকে সম্মান জানালে নিজের সম্মান নষ্ট হয় না বরং বিনয় মানুষকে মহিমান্বিত করে। আমি মনে করি এইসব কালজয়ী আদর্শ থেকে দূরে চলে যাওয়ার কারণেই বর্তমানে আমাদের সমাজে মূল্যবোধের অবক্ষয় দৃশ্যমান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, কাজী নজরুল ইসলাম আমাদের জাতীয় ইতিহাসের অবিস্মরণীয় নাম। তার সাহিত্য ও কর্ম বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। নজরুল ছিলেন বিপ্লব, বিদ্রোহ, মানবিক মূল্যবোধ ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার এক অনন্য প্রতীক।

 

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। স্বাগত বক্তব্য দেন ত্রিশালের সংসদ সদস্য মাহবুবুর রহমান এবং স্মারক বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক তারিক মনজুর। অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কবিপৌত্রি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ইনস্টিটিউট ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান খিলখিল কাজী, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক মো. লতিফুল ইসলাম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলা, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম প্রমুখ। অনুষ্ঠানে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )