এ ঘটনায় এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত ও অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবী জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তাকে গ্রাম পুলিশের পদ থেকে অপসারণ করার দাবি করেছেন অভিযোগকারীরা।
স্থানীয় ও অভিযোগসূত্রে জানা যায় নূর ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে নিজ বাড়িতে পতিতা নারীদের দিয়ে আপত্তিকর কর্মকাণ্ড চালান ।এলাকাবাসী প্রতিবাদ করায় সে গ্রাম পুলিশ প্রভাবে স্থানীয়দের ভয়ভীতি দেখিয়ে মামলা ও মারধরের হুমকি দেন।
সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী গ্রেনেড বাবু জানান, নূর ইসলামের বিরুদ্ধে এর আগেও একই ধরনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সম্প্রতি তার বাড়িতে দুজন নারী আসার পর স্থানীয়রা প্রতিবাদ করলে তাদের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
কিশোরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল গফুর বলেন, অভিযোগটি তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অভিযোগ অস্বীকার করে নূর ইসলাম বলেন আমি মিতু নামে এক নারীকে বিয়ে করেছি।
তবে এবিষয়ে কাজী রায়হানের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন এ বিয়ের বিষয়ে আমি কিছু জানিনা পাশাপাশি গ্রাম পুলিশ নূর ইসলামও বিয়ের কোনো ধরনের তথ্য দিতে পারে নাই।
সংশ্লিষ্ঠ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুর রহমান জানান এবিষয়ে গ্রাম বাসীর পক্ষে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।