1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
তিস্তার চরে চাষাবাদ,বাম্পার ফলনের আশায় চাষীরা | দৈনিক সকালের বাণী
বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ০৭:১৯ পূর্বাহ্ন

তিস্তার চরে চাষাবাদ,বাম্পার ফলনের আশায় চাষীরা

ইমতিয়াজুল ইসলাম লাভলূ, রাজারহাট(কুড়িগ্রাম)
  • আপলোডের সময় : শনিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২৪
  • ২৭৫ জন দেখেছেন
কয়েক মাস আগেও কুড়িগ্রামের তিস্তা নদীতে ছিল অথৈ পানি। এখন সেই পানি শুকিয়ে যাওয়ায় তিস্তার বুকে জেগে উঠেছে চর। যেদিকে দু-চোখ যায় শুধু ধু-ধু বালুচর।
এ বালুচরে স্থানীয় কৃষকরা আলু,পেঁয়াজ,রসুন ও মিষ্টিকুমড়া রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছেন। ব্যাপক পরিসরে তিস্তার চরে চাষাবাদ হওয়ার ফলে কর্মসংস্থান হয়েছে অনেক পুরুষ ও নারী শ্রমিকের। কেননা কৃষি সেক্টর ছাড়া,তেমন কোনো কাজের সুযোগ নেই এ চরঅঞ্চলে।

কৃষকরা বলছেন,এ বছর বন্যায় ভারত থেকে পানির সঙ্গে কাঁদা পানি আসার ফলে তিস্তা নদীর বালু মাটিতে পলি জমেছে। ফলে এসব জমিতে বিভিন্ন আবাদ ভালো হওয়ার সম্ভাবনা দেখছেন তারা।

জানা গেছে,তিস্তা নদীটি নীলফামারী সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে লালমনিরহাট হয়ে কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাটের তিস্তা  নদীতে মিলিত হয়েছে।

সরেজমিনে কথা হয় ,কৃষক আমিনুল ইসলামের সাথে তিনি বলেন,আমার নিজস্ব জমি নেই।আমি ০৭ মাসের জন্য ০৬ একর জমি বর্গা নিয়েছি এখন আলু চাষ করেছি,আলু তুলে বাদাম গারবো।

জমির মালিককে ৬৫ হাজার টাকা দিয়ে যাবতীয় খরচ হিসাব নিকাশ করে যা লাভ হবে তাতেই সন্তষ্ট।শাহিদা বেগম বলেন,০১ একর জমি বন্দক নিয়ে আলু চাষ করেছি আশা করি এবার ভালো ফলন পাবো।বালু চরে স‍্যালো মেসিন দিয়ে পানি নেয়া লাগে,কামলা কিশান সব বাদ দিয়ে যা লাভ হয় তাতেই সন্তষ্ট।বিদ‍্যানন্দ ইউনিয়নে চরে দায়িত্বপ্রাপ্ত উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আবু তাহের বলেন,আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা এ চরে নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৫০হেক্টর জমিতে। আলুর পাশাপাশি কৃষকরা মিষ্টিকুমড়ার আবাদ করে স্বাবলম্বী হওয়ার আশা করছেন । তবে এখনো পেঁয়াজ ও রসুনের পরিসংখ্যান হাতে পায়নি।

তিস্তার চরে কাজ করতে এসেছেন আলেয়া বেগম (৪০) নামের এক নারী। তিনি বলেন, সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত কাজ করলে মজুরি পাই ২০০ টাকা। পুরুষরা পান ৪০০ টাকা। মজুরিটা একটু বেশি হলে ভালো হতো। আলু গাড়ার সময় নিয়মিত কাজ করছি একারণে সংসারে একটু অভাব কমেছে। এইরকম কাজ সারাবছর থাকলে,আমার মত পরিবারগুলোর অনেক ভালো হতো।

ঘোড়ার গাড়ি চালক কেরামত আলী  বলেন, পুরোদমে কাজ চলছে তিস্তার চরে। জমিতে আমরা বিভিন্ন মালামাল পরিবহন করছি। সেখানে তো অন্য কোনো গাড়ি যায় না। তাই ঘোড়ার গাড়ি ভরসা। আমার কাজেরও ব্যস্থতা বেড়েছে । নিয়মিত এমন কাজ থাকলে,আয়টা ভালো হতো ।

পাইকার পাড়া মহিলা মাদ্রাসার শিক্ষক জাহেরুল হক বলেন,তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে আমাদের উত্তর অঞ্চলের কৃষিপণ‍্য বিভিন্ন এলাকায় আমদানি হবে।

রাজারহাট উপজেলার অতিরিক্ত কৃষি অফিসার হৈমন্তী রাণী বলেন, আমাদের কৃষকরা শীতকালীন আলু,সরিষা, পেঁয়াজ,রসুন ও মিষ্টিকুমড়া রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছেন। এদিকে আগাম অনেক শাকসবজিও পাওয়া যায়। যেহেতু কৃষকরা দাম ভালো পায়,তাই একটু বেশি পরিসরে আবাদে করার জন্য উৎসাহী হচ্ছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )