সোমবার সন্ধ্যায় ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন পাটগ্রাম থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুজ্জামান সরকার। কৃষক লেবু মিয়া উপজেলার বাউরা বাজার এলাকার মোফাজ উদ্দিনের ছেলে।
অবশেষে রোববার রাতে বুঝতে পারেন এটি গুপ্তধন নয় পুরাতন কোন গ্রেনেড হবে। তখন বিষয়টি স্থানীয় বডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) নবিনগর ক্যাম্পে অবগত করেন। বিজিবি’র ক্যাম্প কমান্ডার হাবিলদার মজিবুর রহমান থানা পুলিশকে অবগত করলে পুলিশ গ্রেনেডটি উদ্ধার করে। এটি আকারে ছোট হওয়ায় হাতের মুষ্টিতে রাখা সম্ভব। এটি নিস্ক্রিয় করতে সেনাবাহিনীর বিস্ফরোক ইউনিটকে খবর দেয়া হয়েছে বলেও জানান ওসি।
পাটগ্রাম থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুজ্জামান সরকার জানান, গত এক মাস আগে কৃষক লেবু মিয়া বাউরা নবিনগর এলাকায় সানিয়াজান নদীতে মাটি কাটতে গিয়ে গ্রেনেডটি পান। প্রথমে এটিকে গুপ্তধন ভেবে গোপনে বাড়িতে রেখে বিভিন্ন ভাবে এটিতে আঘাত করে ভাঙার চেষ্টা করেন।