বুধবার (১১ ডিসেম্বর) সকাল ৭টায় উপজেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা গতকাল ছিল ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
শীতের তীব্রতায় বিপাকে পড়েছে কৃষি শ্রমিক ও স্বল্প আয়ের খেটে খাওয়া মানুষজন। তীব্র ঠান্ডায় অনেকেই খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টাও করছে। এদিকে দিনের বেলা তাপমাত্রা কিছুটা বৃদ্ধি পেলেও সন্ধার পর থেকে তাপমাত্রা কমতে থাকে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত শীতের তীব্রতা বেশী অনুভুত হয়।
কুরুষাফেরুষা এলাকায় কৃষক হোসেন আলী বলেন, গত কয়েক দিন থেকে খুবই ঠান্ডা বাহে। আজ আরও বেশি ঠান্ডা পড়ছে। হাত পা বরফ হয়ে যায়। কাজ করা খুব সমস্যা হইছে।
কুড়িগ্রামের রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার বলেন, গত দুই সপ্তাহ থেকে জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২-১৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস উঠা-নামা করছে। এ মাসের ১৫ তারিখের পর ফুলবাড়ী-রাজারহাটসহ জেলা জুড়ে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।