1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
ফুলবাড়ীতে ভেঙে যাওয়া বাঁশের সাঁকোটি পূর্ণ: নির্মাণের কাজ শুরু গ্রামবাসীর উদ্যোগে | দৈনিক সকালের বাণী
শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:২৯ অপরাহ্ন

ফুলবাড়ীতে ভেঙে যাওয়া বাঁশের সাঁকোটি পূর্ণ: নির্মাণের কাজ শুরু গ্রামবাসীর উদ্যোগে

ফুলবাড়ি(কুড়িগ্রাম)প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : সোমবার, ২৩ জুন, ২০২৫
  • ২০২ জন দেখেছেন
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে ২২০ ফিট লম্বা ভেঙে যাওয়া বাঁশের সাঁকোটি অবশেষে গ্রামবাসীর নিজস্ব উদ্যোগে পূর্ণ: নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। সোমবার (২৩ জুন) দুপুরে উপজেলার নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের কিশামত শিমুলবাড়ী এলাকায় নবিউলের /আমিন মেম্বারের ঘাট নামে পরিচিত বারোমাসিয়া (বাণিদাহ) নদীতে ২২০ ফুট লম্বা ভেঙে যাওয়া বাঁশের সাঁকোটি তিন চারজন শ্রমিক দিয়ে পূর্ণ : নিমার্ণের কাজ করতে দেখা গেছে।
এ সময় স্থানীয় ওবায়দুল হকসহ অনেকেই জানান, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা না পেয়ে দুপাড়ের বাসিন্দাদের নিজস্ব উদ্যোগে মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে বাঁশ সংগ্রহ করে গত তিন চার থেকে ভাঙা সাঁকো পূর্ণ:নির্মাণের কাজ শুরু করেছি। তারা আরও জানান সাঁকোটি পূর্ণ:নির্মাণের কাজ শেষ হতে কমপক্ষে দেড় থেকে দুই সপ্তাহ লাগবে। তবে এখনো আমাদের ভোগান্তি কমেনি। এই সময়টুকু দুপাড়ের বাসিন্দাদের এক বুক নদীর পানি পাড়ি দিয়ে পাড় হতে হবে।
সাঁকো পূর্ণ:নির্মাণের প্রধান উদ্যোক্তা কিশামত শিমুলবাড়ী এলাকার সাবেক ইউপি সদস্য,
আমিনুল হক জানান, তীব্র স্রোতে বাঁশের সাঁকোটি ভেঙে যাওয়ার আমাদের পাড়াপাড়ে চরম ভোগান্তির সৃষ্টি হয়। বাঁশের সাকো নির্মাণে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাড়া পাইনি। তাই বাধ্য দুপাড়ের বাসিন্দারা মিলে বাঁশ সংগ্রহ করায় গত তিন চার দিন ধরে ভাঙা সাঁকোটির পূর্ণ:নির্মাণের করা শুরু করা হয়েছে। যে বাঁশ সংগ্রহ করা হয়েছে, এই বাঁশে যদি হয় তাহলে সাঁকোটি পূর্ণ:নির্মাণ করতে ১০ দিনের মতো লাগতে পারে। তিনি আরও জানান সাঁকো নির্মাণ না হওয়া পর্যন্ত দপাড়ের মানুষজন নদী সাঁতার দিয়ে পারাপার করতে হবে।?
গেল এক মাস থেকে উপজেলার নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের কিশামত শিমুলবাড়ী, চরগোরকমন্ডল, ঝাঁউকুটি, পশ্চিম ফুলমতি, নাওডাঙ্গা ও শিমুলবাড়ী ইউনিয়নের হকবাজার এবং পাশ্ববর্তী লালমনিরহাট সদর উপজেলার কুলাহাট ইউনিয়নের চরখারুয়া এবং খারুয়াসহ ৮ গ্রামের হাজারও মানুষ এখন নদী পাড়াপাড়ে চরম ভোগান্তির শিকার।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )