


নীলফামারীর ডোমারে মোহাম্মদ রকি (২৮) নামে এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার (১০ আগস্ট) দুপুরের দিকে ডোমার সদর ইউনিয়নের চামড়া গুদামপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত রকি ওই এলাকার মৃত আকবর আলীর ছোট ছেলে। নিহতের ভাবি স্মৃতি জানান, দুই দিন ধরে রকি বাড়িতে ছিলেন না। তার স্ত্রীও বাবার বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলেন।
শনিবার রাতে রকি বাড়িতে ফিরে নিজের ঘরে শুয়ে পড়েন। সকালে সবাই নাস্তা শেষে কাজে ব্যস্ত থাকলেও দুপুর গড়িয়ে যায়, কিন্তু রকি ঘুম থেকে না উঠায় তারা ডাকাডাকি করেন। সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে দেখেন, ঘরের ভেতর সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় গামছা পেঁচানো অবস্থায় রকি ঝুলছেন। তার পা তখন মাটিতে লেগে ছিল।
স্থানীয়রা রকির মৃত্যুকে রহস্যজনক বলে দাবি করেছেন। তাদের প্রশ্ন— হাঁটু গেড়ে কেউ কি আত্মহত্যা করতে পারে? ফ্যানের সঙ্গে গামছা বাঁধা থাকলেও পা মাটিতে লাগা অবস্থায় আত্মহত্যা সম্ভব কি না, তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন তারা। তবে কী কারণে এমন ঘটনা ঘটেছে, তা কেউ নিশ্চিতভাবে বলতে পারেননি। রকি ডোমারের হিরো মোটরসাইকেলের শোরুমে চাকরি করতেন। তার তিন বছরের একটি সন্তান রয়েছে। শনিবার রাতে নিজের ফেসবুক পেজে তিনি প্রথমে লিখেন— “কুন ফায়া কুন, ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করো, কারণ তোমার যা আছে তা তোমার আসছে।” কিছুক্ষণ পর আরেকটি পোস্ট দেন “আল্লাহ ভরসা।”
ডোমার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আরিফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নীলফামারী জেলা মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে। এ ঘটনায় থানায় একটি ইউডি মামলা রুজু করা হবে।