1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
পাটগ্রামে গাইড ওয়াল ও রাস্তার কাজে ব্যাপক অনিয়ম | দৈনিক সকালের বাণী
মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ০৩:১০ পূর্বাহ্ন

পাটগ্রামে গাইড ওয়াল ও রাস্তার কাজে ব্যাপক অনিয়ম

পাটগ্রাম (লালমনিরহাট) প্রতিনিধি 
  • আপলোডের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৫
  • ২৮৪ জন দেখেছেন
বর্ষাকালে পুকুরের পানি উপচে পড়ে যাতে রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে লক্ষ্যেই নির্মাণ করা হয় গাইড ওয়াল। কিন্তু লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলায় এমন এক গুরুত্বপূর্ণ সড়কে গাইড ওয়াল ও রাস্তা নির্মাণে দেখা গেছে চরম অনিয়ম। অভিযোগ উঠেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সিয়াম এন্ড সাজ্জাদ ট্রেডার্স-এর মালিক শাহাদাত হোসেনের বিরুদ্ধে।
উপজেলার কুচলিবাড়ী ইউনিয়নের ললিতারহাট বাজার থেকে বোচার বাজার পর্যন্ত প্রায় পৌনে ২ কিলোমিটার সড়ক সংস্কার এবং রাস্তার দুই পাশে একাধিক পুকুরে গাইড ওয়াল নির্মাণের জন্য ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বরাদ্দ হয় প্রায় ৮৩ লাখ টাকা। কিন্তু সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, খোয়া ও ইটের মান নিম্নমানের, সিমেন্টের পরিবর্তে অতিরিক্ত বালু ব্যবহার করা হচ্ছে, এমনকি কোথাও কোথাও ভেঙে পড়া পুরোনো পিলারও বসানো হয়েছে। ওয়াল নির্মাণের কয়েক দিনের মধ্যেই ইট খসে পড়ছে—হাত বা পা দিলেই ভেঙে যাচ্ছে অংশবিশেষ।
ওয়ার্ক অ্যাসিস্ট্যান্ট আহসান হাবীব রুজেনের সামনেই সাংবাদিকরা সিমেন্ট-বালুর অনিয়মের প্রমাণ দেখালেও তিনি সন্তোষজনক কোনো জবাব দিতে পারেননি। স্থানীয় এক প্রবীণ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এত নিম্নমানের খোয়া আর ইট দিয়ে কাজ হচ্ছে অথচ অফিস থেকে কেউ দেখে না। আমরা ভালো করে করতে বললেও তারা শোনেনি।
ঠিকাদারের প্রতিনিধি মাইদুল ইসলামও কাজের ইস্টিমেট সঙ্গে না রাখায় কোনো উত্তর দিতে পারেননি। যদিও ঠিকাদার শাহাদাত হোসেন দাবি করেছেন, কাজ ভালো হচ্ছে। সমস্যা হলে বলুন। কিন্তু উপস্থিত সাংবাদিকদের দেখানো অনিয়ম নিয়ে তিনি কোনো সুনির্দিষ্ট জবাব দেননি।
পাটগ্রাম উপজেলা প্রকৌশলী সফিউল ইসলাম রিফাত স্বীকার করেছেন, “কাজের মান খারাপ ছিল, ইট নিম্নমানের হওয়ায় পরিবর্তনের নির্দেশ দিয়েছি। পুরোনো খুঁটি ব্যবহার নিষিদ্ধ থাকলেও পরে জেনেছি তারা আবার ব্যবহার করেছে। পাটগ্রাম উপজেলার সাবেক নির্বাহী কর্মকর্তা জিল্লুর রহমান বলেছেন, “অনিয়ম প্রমাণিত হলে বিল বন্ধ করে দেওয়া হবে।” বর্তমান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উত্তম কুমার দাশ জানান, “কাজের গুণগত মান যাচাই করে ঠিক না হলে বকেয়া বিল বন্ধসহ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )