1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
ইউএনওর স্বাক্ষর জালিয়াতি, ঘটনা ধামাচাপায় মরিয়া নাজির | দৈনিক সকালের বাণী
বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১০:১৮ পূর্বাহ্ন

ইউএনওর স্বাক্ষর জালিয়াতি, ঘটনা ধামাচাপায় মরিয়া নাজির

পাটগ্রাম (লালমনিরহাট) প্রতিনিধি 
  • আপলোডের সময় : মঙ্গলবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৫
  • ২২৬ জন দেখেছেন

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) স্বাক্ষর জাল করে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা ভূমি অফিসের সাবেক নাজির কাম-ক্যাশিয়ার আল মামুনের বিরুদ্ধে। বিষয়টি ফাঁস হওয়ার পর থেকেই তিনি ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন। ২০২৪ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি আল মামুন পাটগ্রাম ভূমি অফিসে নাজির কাম-ক্যাশিয়ার হিসেবে যোগ দেন।

 

সে সময় ইউএনও হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন নুরুল ইসলাম ও জিল্লুর রহমান। স্থানীয় সূত্র বলছে, ওই সময় ইউএনওদের অজ্ঞাতসারে নয়, বরং তাদের যোগসাজশেই সর্বাধিক অনিয়ম ঘটে। মামুন লাখ লাখ টাকার ভুয়া ব্যয়ের নথি তৈরি করে ইউএনওদের স্বাক্ষর জাল করে সরকারি কোষাগার থেকে টাকা তুলতেন এবং ভাগবাটোয়ারা করতেন। বিভিন্ন অনিয়ম প্রকাশ পেতে শুরু করলে গত ১৩ মে রংপুর বিভাগীয় কমিশনারের আদেশে মামুনকে কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে বদলি করা হয়। তবে তিনি প্রভাব খাটিয়ে বদলিকৃত কর্মস্থলে যোগ না দিয়ে আরও তিন মাস পাটগ্রামেই থেকে যান। এ সময় নতুন ইউএনও হিসেবে উত্তম কুমার দাশ যোগদান করেন। সুযোগ বুঝে মামুন তার কাছ থেকেও বিভিন্ন ব্যয়ের ফাইলে স্বাক্ষর নেন এবং ভুয়া বিল তৈরি করতে থাকেন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে ইউএনও উত্তম কুমার দাশ ৩ আগস্ট মামুনকে অবমুক্ত করেন। তবুও তিনি অফিস ছাড়ার আগে মাত্র তিন দিনের মধ্যে ৯টি ভুয়া বিল তৈরি করেন। ঘটনা জানাজানি হলে মামুন স্থানীয় সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা চাঁদাবাজির গুজব ছড়াতে থাকেন। এর প্রতিবাদে ১০ আগস্ট ভোরের দর্পণ পত্রিকার পাটগ্রাম প্রতিনিধি তৌফিকুল ইসলাম সজিব থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।এর আগে ৭ আগস্ট সোনালী ব্যাংক পাটগ্রাম শাখায় ১ লাখ ৩৩ হাজার ৯৬৫ টাকার ৯টি ভুয়া বিল উত্তোলনের চেষ্টা করেন মামুন। সাংবাদিকরা বিষয়টি জানতে পেরে ব্যাংকে উপস্থিত হলে তিনি টাকা না নিয়েই সটকে পড়েন। সজিব বলেন, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের ব্যয়ের তথ্য চাইতে গেলে মামুন আমাকে ডেকে নিয়ে মোবাইল কেড়ে নেন ও হুমকি দেন। এ ঘটনায় আমি থানায় জিডি করেছি।

 

তবে নাজির আল মামুন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ওই ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি। আমি একজন সরকারি কর্মচারী, আমি কি পাগল যে সাংবাদিককে লাঞ্ছিত করব? দুর্নীতির ব্যাপারে সব ইউএনও-ই জানেন। আমি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাই না।পাটগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উত্তম কুমার দাশ বলেন, নাজির মামুনকে আমরা অবমুক্ত করেছি। তবে এর আগে সে আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ে। প্রাথমিকভাবে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। এজন্য বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসকের কাছে রিপোর্ট পাঠানো হয়েছে। আশা করছি আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও জানান, স্বাক্ষর জালিয়াতির বিষয়টিও তদন্ত রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )