


জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী বলেছেন, বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধেও জমিয়ত স্বাধীনতাকামী জনগণের পাশে থেকে লড়াই করেছে। ইতিহাস বিকৃত করার চেষ্টা হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “যারা ইতিহাস চুরি করে তারাই সবচেয়ে বড় চোর ও তথ্য সন্ত্রাসী।”
বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেলের দিকে নীলফামারীর ডোমার নাট্য সমিতি মিলনায়তনে ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ ডোমার উপজেলা শাখার কর্মী সম্মেলন ও কাউন্সিল অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা সভাপতি হাফেজ ছফিয়ার রহমান।
আফেন্দী বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিষয়ে কোনো আপস হবে না। তিনি আরও বলেন, “১০৬ বছরের সংগঠনকে রাজনীতি শেখাতে আসা লোকদের বলতে চাই—আমরা আমাদের আদর্শ আমাদের মতো করেই ঠিক করবো। অন্য কারও এতে হস্তক্ষেপ করার অধিকার নেই। ফ্যাসিবাদের আমলে জমিয়তের সোনালী ইতিহাস পাঠ্যপুস্তক থেকে মুছে ফেলা হয়েছিল, কিন্তু একদিন ইনশাআল্লাহ সেই ইতিহাস আবারও ফিরে আসবে।”
তিনি দাবি করেন, মুক্তিযুদ্ধে জমিয়তের ভূমিকার স্বীকৃতি হিসেবে প্রবীণ নেতারা রাষ্ট্রীয় সম্মাননা পেয়েছেন। এমনকি ২০২৪ সালের আন্দোলনেও জমিয়ত সামনের সারিতে ছিল বলে উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন নীলফামারী জেলা জমিয়তের সহ-সভাপতি ও নীলফামারী-৩ আসনের এমপি প্রার্থী মাওলানা রেজাউল করিম, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আব্দুল্লাহ মঞ্জুরসহ আরও অনেকে।
শেষে ২০২৫-২৬ সেশনের জন্য নতুন কমিটি ঘোষণা করেন ছাত্র জমিয়তের নীলফামারী জেলা সভাপতি এম. রাজু রুহানী। নতুন কমিটিতে মো. সফিয়ার রহমানকে সভাপতি ও ওয়ায়েজ কুরুনীকে সাধারণ সম্পাদক করে ২১ সদস্যের ডোমার উপজেলা কমিটি গঠন করা হয়।