1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
সৈয়দপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের সাফল্য ধারাবাহিক | দৈনিক সকালের বাণী
শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৫৯ পূর্বাহ্ন

সৈয়দপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের সাফল্য ধারাবাহিক

সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১৯০ জন দেখেছেন

বরাবরের মতো এবারেও এইচএসসি পরীক্ষায় সাফল্যের ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছে নীলফামারীর সৈয়দপুর সেনানিবাসে অবস্থিত ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ। এ অভিজাত প্রতিষ্ঠানটি জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে সৈয়দপুর উপজেলায় শীর্ষে রয়েছে। ফলে এবারের এইচএসসির পরীক্ষার ফলাফলে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ব্যাপক উচ্ছ্বসিত। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এবারের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় সৈয়দপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ থেকে বাংলা ও ইংলিশ ভার্শন মিলে পরীক্ষার্থী সংখ্যা ছিল ৪৯৩ জন।

প্রতিষ্ঠানের তিনটি বিভাগের উল্লিখিত শিক্ষার্থীর মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগে ৩৫৬ জন, মানবিকে ৭৬ জন এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ৬১জন ছিল। তাদের উত্তীর্ণ হয়েছে ৪৯১ জন। দুই হন অনুত্তীর্ণ হয়। ফলে এবারে পাশের হার দাঁড়িয়েছে ৯৯.৫৯%। আর তিন বিভাগে মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৪৪ জন। এদের মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগে ৩০৫ জন মানবিক বিভাগে ৩১জন এবং ব্যবসায় বিভাগে আটজন রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির ইংলিশ ভার্সনের ১৪ জন পরীক্ষার মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪জন এবং বাকি নয়জন পেয়েছে গ্রেড “এ” ।

সৈয়দপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ লে. কর্নেল সৈয়দ শাফিউল ইসলাম মেরাজ তাঁর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, পরীক্ষায় ভালো ফলাফলের পেছনে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষক-শিক্ষিকাদের বড় ভূমিকা থাকে। তবে শিক্ষার্থীরাই সবচেয়ে বেশি পরিশ্রম করে। আর শিক্ষক-শিক্ষিকারা নিবেদিত প্রাণ হিসেবে কাজ করেন। তারা শিক্ষার্থীদের অনুপ্রেরণা দেন, গাইড এবং আত্মবিশ্বাসের জায়গা তৈরির চেষ্টা করেন। অভিভাবকদেরও অনেক স্বপ্ন থাকে। তারা ছেলেমেয়েদের জন্য যতটুকু সম্ভব কষ্ট করেন। তাদের চেষ্টা থাকে শিক্ষার্থীদের স্বপ্নের দিকে নিয়ে যেতে।

তিনি আরো বলেন, এবারের আমরা প্রতিষ্ঠানগতভাবে শতভাগ শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় অংশ গ্রহণের সুযোগ দিয়েছিলাম। আমাদের আশা ও দোয়া ছিল প্রতিষ্ঠানের শতভাগ শিক্ষার্থী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হবে। কিন্তু দুইজন শিক্ষার্থীর শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থতার কারণে আমাদের প্রতিষ্ঠান শতভাগ উত্তীর্ণ হতে পারেনি। এতে আমাদের দুর্বলতা রয়েছে, সে সব পর্যালোচনা করে তা কাটিয়ে আগামীতে আরো উন্নতি করতে চাই।

 

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )