তিনি আরও বলেন, ‘প্রত্যেক পরিবারের মা’দেরকে আমরা দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা প্রতিমাসে দিব, চেয়ারম্যান মেম্বারদের বাড়ি যাওয়া লাগবে না। ওখানে গেলে অনেক সমস্যা হয়। ভোটার আইডি কার্ড যেমন হয়েছে,ধাপে ধাপে সরকারের পক্ষ থেকে সবাইকে ফ্যামিলি কার্ড দেয়া হবে’
তিনি আরও বলেন, এখন লাঙ্গল নেই, লাঙ্গলের পরিবর্তে ট্রাক্টর হয়েছে। হাতপাখা নেই, হাতপাখার পরিবর্তে ফ্যান হয়েছে, শাপলা কলি আর ফুটবে না। আমরা তো বেহেস্তের টিকিট দিতে পারবো না। একথা বলে মানুষকে ধোকা দেয়া যাবে না। বাকী থাকলো ধানের শীষ। আমার ছোট ভাই সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ। তাই আপনারা আপনাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিবেন।
তিস্তা নিয়ে তিনি বলেন, ‘জাগো বাহে তিস্তা বাঁচাই। এই ডাক দিয়ে বিশ্বকে কাঁপিয়েছি আমরা। তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে এখানকার মানুষ বাড়ীতে গরম ভাত খেয়ে তিস্তার পাড়ে কারখানায় কাজ করবেন।’
এসময় জাতীয় পার্টির বেশ কিছু নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগদান করেন।
জেলা বিএনপির আহবায়ক মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফার সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন কুড়িগ্রাম ২- (কুড়িগ্রাম সদর-রাজারহাট-ফুলবাড়ী) আসনের এমপি প্রার্থী সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক শফিকুল ইসলাম বেবু, হাসিবুর রহমান হাসিব, রাজারহাট উপজেলার ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম, সাবেক সভাপতি আনিছুর রহমান, সদস্য সচিব সাহিদুল ইসলাম, যুবদলের আহবায়ক আব্দুল কুদ্দুসসহ জেলা ও উপজেলার নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দেন।