


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দিনাজপুরের পার্বতীপুরে ৮৯টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ৩২টি ভোট কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রগুলোকে ঝুঁকিপূর্ণ নির্ধারণ করেছে সহকারি রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
৮৯টি ভোট কেন্দ্রে ৫৪০ সিসি ক্যামেরা স্থাপন করার কথা জানিয়েছেন, সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও পার্বতীপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. সাদ্দাম হোসেন। তিনি জানিয়েছেন, ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলো চিহ্নিত করে নেওয়া হবে বাড়তি নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা নজরদারি। প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের কাজ চলমান রয়েছে। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
৮৯টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে উপজেলার ১০ ইউনিয়নে ৭৯টি ও পৌরসভার ১০ কেন্দ্রসহ সিসি ক্যামেরার আওতায় থাকবে। কেন্দ্রগুলোর মধ্যে ৩২টা কেন্দ্র কে আমরা ঝুঁকিপূর্ণ নির্ধারণ করেছি। কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে এসব কেন্দ্রে যেতে আমাদের সময় লাগবে বেশি, সেজন্য এসব কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা লাগানো থাকবে, যাতে ফুটেজ দেখে ব্যবস্থা নেওয়া যায়। সিসি ক্যামেরায় সমস্যা দেখা দিলে সমাধান করার জন্য থাকবে মেকানিক।
পার্বতীপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এমএ ফারুক জানিয়েছেন, নির্বাচনী পরিবেশ অবাধ ও নিরপেক্ষ রাখতে সব ধরনের নাশকতা এড়াতে চালু থাকবে ৩০ অনলাইন ও ৩৮ অফলাইন। থানা থেকে এসব মনিটর করা হবে। বডি অর্ন ক্যামেরার মাধ্যমে ভোটকেন্দ্র পর্যবেক্ষণ ও পুলিশের বডি অর্ন ক্যামেরা রয়েছে। নির্বাচনকালীন দায়িত্ব পালন করতে পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। তিনটি জোনে রয়েছে সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশ।
সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও পার্বতীপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো: সাদ্দাম হোসেন বলেন, নির্বাচন নিরাপদ, শান্ত ও ভয়মুক্ত রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্ব পালন করবে তিন প্লাটুন সেনাবাহিনী, তিন প্লাটুন বিজিবি, র্যাব, পুলিশ, আনছার ও ভিডিপি ও গ্রাম পুলিশ। জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবির কুইক রেস্পন্স ফোর্স ও মোবাইল টিম প্রস্তুত থাকবে। থাকছে একাধিক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৭ প্রার্থী। নারী ভোটার ২ লাখ ৩৭ হাজার ৯৭৫, পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৩৫ হাজার ৪৬১, পোষ্টাল ভোটার ৪ হাজার ৭৭ এবং তিন তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার। মোট ভোটার রয়েছে ৪ লাখ ৭৭ হাজার ৫১৬ জন।