


দিনাজপুরের পার্বতীপুরে মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে আ: করিম (৩৫) নামে এক আইসিটি কর্মকর্তা আহত হয়েছেন। তিনি পঞ্চগড় জেলা শিক্ষা অধিদপ্তরের (তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি) আইসিটি কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। আহত আ: করিম (৩৫) পার্বতীপুর শহরের আমিরগঞ্জ মহল্লার বাসিন্দা।
রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১টায় পার্বতীপুর-রংপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের এ্যাফেক রেসিডেনসিয়াল মডেল স্কুলের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। পথচারী ও স্থানীয় জানায়, এ্যাফেক স্কুলের সামনের সড়কে তিনটি স্পিড ব্রেকার দেয়ায় কারনে প্রায় এখানে এ দুর্ঘটনা ঘটছে। আহত আ: করিম বলেন, মোটরসাইকেল যোগে উপজেলার রামপুর ইউনিয়নের বাসুপাড়া গ্রাম থেকে পার্বতীপুর শহরের বাসা আমীরগঞ্জ দিকে যাচ্ছিলেন। পথে এ্যাফেক রেসিডেনসিয়াল মডেল স্কুলের সামনে স্পিড ব্রেকার পার হতে গিয়ে নিয়ন্ত্রন হারিয়ে ছিঁটকে পড়েন। এসময় ছিটকে পড়ে ডান হাতে, ডান পায়ে গুরুতর আহত হন আ: করিম। শরীরে শার্ট ও ফুলপ্যান্ট ছিড়ে নষ্ট হয়।
পার্বতীপুর শহরের আদর্শ হুগলীপাড়া এলাকার রুকুনুজ্জামান বাবুল বলেন, স্পিড ব্রেকার দেয়ার আগে কোন দূর্ঘটনা ঘটেনি, স্পিড ব্রেকার দেয়ার পর প্রতিনিয়ত দূর্ঘটনা ঘটছে। আঞ্চলিক মহাসড়কে ২০ গজের মধ্যে কি করে একই স্থানে তিন তিনটি স্পিড ব্রেকার (গতিরোধক) থাকে এটা বোধগম্য নয়। প্রতিদিনেই এ্যাফেক স্কুলের সামনে মোটরসাইকেল আরোহী, ভ্যানচালক, অটোরিক্সার যাত্রীদের আহতের খবর পাওয়া যাচ্ছে।
পথচারী ও স্থানীয়রা জানান, পার্বতীপুর-রংপুর আঞ্চলিক মহাসড়কে এ্যাফেক রেসিডেনসিয়াল মডেল স্কুলের সামনের স্পিড ব্রেকারটি ঝুঁকিপূর্ণভাবে দেওয়া হয়েছে। এতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ভ্যান, অটোরিকশা, সিএনজিচালিত অটোরিকশা উল্টে যায়। এ ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে।
এ্যাফেক রেসিডেনসিয়াল মডেল স্কুলের প্রধান শিক্ষক জামিল আহমেদ দৈনিক দেশ রুপান্তর বলেন, সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তরে ২০১৮ সালে আমরা আবেদন করেছি। তিনি দাবী করেন, আগে দূর্ঘটনা ঘটতো, এখন ইদানিং কমে গেছে। অনেক কাট খড় পুড়ে আমরা এই স্পিড ব্রেকার হয়েছে। তারা একটা দিছে, না তিনটে দিছে, এটা আমরা বলিনি তারাই দিছে।
এব্যাপারে পার্বতীপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো: সাদ্দাম হোসেন দৈনিক দেশ রুপান্তর কে বলেন, এ্যাফেক স্কুলের সামনে স্পিড ব্রেকার দিয়েছে দিনাজপুর সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তর। স্কুলের সামনে একটা স্পিড ব্রেকার রেখে বাকি দুটি গতিরোধক অপসারনের জন্য সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তরকে জানানো হবে। তিনি আরও বলেন, সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তরে অভিভাবক ও স্কুলের আবেদনের প্রেক্ষিতে তিনটি স্পিড ব্রেকার স্থাপন করা হয়।