1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
বাঁচার আকুতি গৃহবধূ মুন্নির | দৈনিক সকালের বাণী
মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ০৪:০৬ পূর্বাহ্ন

বাঁচার আকুতি গৃহবধূ মুন্নির

সাদুল্লাপুর (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১৫২ জন দেখেছেন

হার্ট ছিদ্র আর অকেজ ভালভ নিয়ে কোনমেত বেঁচে আছেন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী গৃহবধূ মুন্নি বেগম। পাশে নির্বাক চোখে তাকিয়ে তার দুই ছোট সন্তান। মায়ের এমন কষ্ট দেখে তারা বুঝে উঠতে পারছে না কিভাবে বাঁচাবে মাকে। স্বামী নুরুল ইসলাম পাশে দাড়িয়ে আছেন অসহায়ের মতো।

সবার চোখেমুখে শুধু হতাশার ছাপ। মুন্নি বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলছেন, সবার সহযোগীতায় বাঁচতে চাই। আমাকে বাঁচান, আমাকে সাহায্য করুন। প্রায় দুই বছর আগে গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের গয়েশপুর গ্রামের দৃষ্টি প্রতিবন্ধী গৃহবধূ মুন্নি বেগম হার্ট ও ভালভ রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মুন্নির স্বামী নুরুল ইসলাম পেশায় একজন ভ্যানচালক। স্ত্রীকে বাঁচাতে চিকিৎসার জন্য নিজের সব সম্পদ শেষ করে মোটা অঙ্কের টাকা ধারদেনাও করেছেন। বিভিন্ন চিকিৎসা কেন্দ্রসহ সবশেষে ঢাকার ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল এন্ড রিসার্চ ইনষ্টিটিউটে চিকিৎসা নিয়েছেন। এখানে মুন্নিকে অপারেশনের পরামর্শ দিয়েছেন। এতে প্রায় ৮ থেকে ৯ লাখ টাকার দরকার।

এর আগে দীর্ঘদিনের চিকিৎসা নিতে প্রায় ৯ লাখ টাকা ব্যয়ে এ পরিবারটি এখন সম্পূর্ণ নিঃস্ব। এখন অর্থের অভাবে মুন্নির চিকিৎসাসেবা বন্ধ। বর্তমানে চিকিৎসার অভাবে ধীরে ধীরে মৃত্যুর প্রহর গুনছেন মুন্নি বেগম। তাকে বাঁচাতে দানশীলদের কাছে আকুতি জানাচ্ছেন তার স্বজনরা। কোন সহৃদ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানকে ০১৮৫১৩২৬১২৮ নম্বর বিকাশ অথবা নগদ- এ যোগাযোগ করতে অনুরোধ করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারটি। রোগী মুন্নি বেগম বলেন, প্রত্যেকদিন ৫০০ টাকার ওষুধ কিনতে হয়। এখন টাকার অভাবে সেই ওষুধ কেনাও বন্ধ আছে। আমি বাঁচতে চাই। আমাকে সবাই বাঁচান। স্বামী নুরুল ইসলাম বলেন, আমার স্ত্রী একজন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী। তার ভাতা কার্ডের জন্য ইউপি চেয়ারম্যানের কাছে বহুতবার ঘুরেছি কিন্তু টাকা দিতে না পারায় এই কার্ড করে দেয়নি চেয়ারম্যান। ইতোমধ্যে স্ত্রীর হার্ট ও ভালভের চিকিৎসা ব্যয়ে আমি এখন পথে বসেছি।

এখন অপরারেশন করতে প্রায় ৯ লাখ টাকা দরকার। এতো টাকা যোগার করা মোটেও সম্ভব নয়। তাই দেশবাসীর কাছে সাহায্যের আবেদন করছি। এ বিষয়ে জামালপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান জাহিদ হাসান শুভর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোন মন্তব্য করেননি। সাদুল্লাপুর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মানিক চন্দ্র রায় জানান, যেহেতু এককালীন অনুদানের ব্যবস্থা আছে সেক্ষেত্রে অনলাইনে আবেদন করলে সেটি বিবেচনা করে দেখবেন। সেইসঙ্গে রোগীকল্যাণ সমিতি থেকেও সার্বিক সহযোগীতা করবেন। একইসঙ্গে প্রতিবন্ধী ভাতা কর্মসূচির আওতায় আনার আশ্বাসও দেন এ কর্মকর্তা।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )