1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
উলিপুরে জমিতে পানি না দেওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক | দৈনিক সকালের বাণী
বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ০৬:৩৩ পূর্বাহ্ন

উলিপুরে জমিতে পানি না দেওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক

উলিপুর (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১১৬ জন দেখেছেন

কুড়িগ্রামের উলিপুরে ব্যক্তিগত বিরোধের জেরে সেচের পানি না দেওয়ার অভিযোগে এক কৃষক পরিবার চাষাবাদ করতে পারেনি। এতে প্রায় এক একর পৈত্রিক জমি অনাবাদি পড়ে থাকায় আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন তারা। এ ঘটনায় জমির মালিক এরশাদুল হক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগে বলা হয়েছে, সেচ মালিক মো. মজিবর রহমানের সঙ্গে এরশাদুল হকের বাবা গোলজার হোসেনের ব্যক্তিগত বিরোধ সৃষ্টি হয়। সেই বিরোধের জেরে চলতি বোরো মৌসুমে চাষের জন্য প্রস্তুতকৃত জমিতে পানি সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় ব্যক্তিরা একাধিকবার সমঝোতার চেষ্টা করলেও কোনো সমাধান হয়নি। ফলে ধান রোপণের উপযুক্ত সময় পার হয়ে গেলেও জমিতে আবাদ শুরু করা সম্ভব হয়নি।
ভুক্তভোগী এরশাদুল হক জানান, হাতিয়া ইউনিয়নের রামরামপুর মৌজায় বাড়ির পেছনে তাদের প্রায় এক একর পৈত্রিক জমি রয়েছে।

এর মধ্যে তার ৩৪ শতক, বড় বোন গোলাপী বেগমের ২০ শতক, ছোট বোন রিপুনা খাতুনের ৩০ শতক এবং বাবা গোলজার হোসেনের ১৬ শতক জমিতে দীর্ঘদিন ধরে ধান ও বিভিন্ন সবজি আবাদ হয়ে আসছে। প্রতি বছর বোরো মৌসুমে সেচনির্ভর চাষাবাদের মাধ্যমে পরিবারটির জীবিকা নির্বাহ হয়। কিন্তু ব্যক্তিগত বিরোধের কারণে এবার পুরো জমি অনাবাদি পড়ে রয়েছে। লিখিত অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্ত সেচ মালিক নীতিমালা উপেক্ষা করে নিরীহ কৃষকদের কাছ থেকে প্রতি শতক ১০০ টাকা বা তারও বেশি হারে অর্থ আদায় করে আসছেন। কেউ প্রতিবাদ করলে সংশ্লিষ্ট জমিতে পানি সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

এ ছাড়া পানি চাওয়াকে কেন্দ্র করে মো. দয়াল হোসেন নামে এক কৃষকের সঙ্গে দুর্ব্যবহার ও মারধরের অভিযোগও তোলা হয়েছে। অভিযোগে আরও বলা হয়, যে স্থানে সেচ যন্ত্রটি স্থাপন করা হয়েছে তা মজিবর রহমানের নিজস্ব জমি নয়। ভূয়া তথ্য দিয়ে লাইসেন্স গ্রহণ করে তিনি সেচ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

তবে অভিযুক্ত সেচ মালিক মো. মজিবর রহমান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমার ব্যক্তিগত সমস্যা এবং লোকবলের অভাবে এবার তাদের জমিতে পানি সেচ দেওয়া সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে উপজেলা সেচ কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদুল হাসান বলেন, বিষয়টি তদন্তের জন্য বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) কর্মকর্তাকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )