তিথি জানান, সাইবার বুলিং, অনলাইন হয়রানি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি ছবি ব্যবহার এবং তার পরিবারকে জড়িয়ে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে তিনি এই জিডি করেছেন। অভিযোগ রয়েছে, তাকে এবং তার পরিবারের সদস্যদের উদ্দেশ্য করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপমানজনক বক্তব্য দেওয়া হচ্ছে। হত্যা ও ধর্ষণের মতো গুরুতর হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন এই অভিনেত্রী।
এছাড়া তার অনুমতি ছাড়াই ব্যক্তিগত কল রেকর্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে। এমনকি তার বাসার ঠিকানাও জনসমক্ষে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা তার এবং পরিবারের নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করছেন তিনি।
তিথি জানান, পুরো বিষয়টি ইতোমধ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরে আনা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় সব প্রমাণ তাদের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে।
ভবিষ্যতে এ ধরনের মানহানি বা সাইবার ট্রায়ালের শিকার হলে আরও কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। দেশের প্রচলিত আইনের প্রতি আস্থা রেখে তিথি বলেন, ‘আমি যদি কোনো অপরাধ করে থাকি, তবে আদালতের মাধ্যমেই তার বিচার হওয়া উচিত। ভিউ ব্যবসায়ী বা কোনো কনটেন্ট ক্রিয়েটরের মাধ্যমে সাইবার ট্রায়াল আমি মেনে নেব না।’
গেল ২৮ ফেব্রুয়ারি আত্মহত্যা করেন ইকরা। এরপরই গুঞ্জন ওঠে আলভী-তিথির বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের। নেটাগরিকরা ক্ষোভ ঝাড়তে থাকেন দুজনের ওপর। তারই প্রেক্ষিতে জিডি করলেন অভিনেত্রী।






















