


নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে হাই কোর্টের রায়ে বরখাস্ত বাহাগিলী ইউপি চেয়ারম্যান সুজাদৌউল্লা লিপটন পবিত্র ঈদুল ফিতরের মানবিক সহায়তার ভিজিএফের চাল সরকারি নীতিমালা অনুসরন না করে নিজের খেয়াল খুশিমতো পরিষদ চত্বরের বাহিরে বিতরণের অভিযোগে অন্যান্য ইউপি সদস্যদের আহবানে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার সকাল ১১ ঘটিকায় বাহাগিলী ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে ৯ জন ইউপি সদস্য ও ৩ জন সংরক্ষিত মহিলা সদস্যের উপস্থিতি তে বক্তাব্য রাখেন ০৩ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য খলিলুর রহমান ডাবলু তিনি বলেন ফ্যাসিষ্ঠ আওয়ামী লীগের দোসর বিভিন্ন অনিয়ম দূর্নীতির দায়ে গত ২২ শে মার্চ ২০২৫ ইং তারিখে সুপ্রিম কোর্টের রায়ে বরখাস্ত হয়ছিল কিন্তু তিনি রিট করার পর চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছিল কিন্তু আমরা তথ্য উপাত্ত সহ আপিল করায় আবারও তিনি বরখাস্ত হন এবং পরবর্তীতে প্যানেল চেয়ারম্যান দ্বারা পরিষদ যথারীতি চলছিল এসময়ে বক্তারা বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের বরখাস্তকৃত চেয়ারম্যান সুজাউদ্দৌলা লিপটনের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে অনাস্থা এনে সকল ইউপি সদস্যরা অভিযোগ দায়ের করেন। তবে এবারে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে আদালতের রায় কে অমান্য করে তাকে দিয়ে অসহায় দুস্থ মানুষের জন্য ঈদ উপলক্ষ্যে ভিজিএফ চাল বিতরণ করা যেটি সরাসরি আদালতের নির্দেশনা অমান্য করা।
ইউপি সদস্য স্বপন বলেন, সুজাউদ্দৌলা লিপটন দীর্ঘদিন ধরে ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্বে ছিলেন সেখানে কোনো রকম উন্নয়ন মূলক কাজ করেনি। পরে তাকে আদালত থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে তবুও এবার তাকে দিয়ে জেলা প্রশাসক ভিজিএফ চাল বিতরণের দায়িত্ব দিয়েছেন। আমরা সেটির প্রতিবাদ জানাই এবং তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদে প্রশাসক বহাল রাখার দাবি জানাই।
এসময়ে আরও বক্তব্যে রাখেন ইউপি সদস্য ইয়াহিয়া খান তিনি বলেন, লিপটন চেয়ারম্যানকে আদালত বরখাস্ত করলেও সেটি না মেনে প্রশাসন তাকে দিয়ে দুস্থ অসহায় মানুষের চাল বিতরণ করেছে। সেটিতে তিনি বিভিন্ন অনিয়ম করেছেন। সরকারি চাল রাতের আঁধারে নিয়ে এসেছেন। এছাড়াও ওয়ার্ড কমিটি করার কথা থাকলেও সেটি করা হয়নি। আমরা এসব বিষয়ে তদন্ত স্বাপেক্ষে পূনরায় প্রশাসক বহাল রাখার দাবি জানাই।
এবিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সুজাউদ্দৌলা লিপটন বলেন, আমি বর্তমানে চেয়ারম্যান হিসেবে বহাল আছি। তারা আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ভাবে ষড়যন্ত্র করছে। তাছাড়া প্রশাসন বৈধতার ভিত্তিতে আমাকে চাল বিতরণ করার জন্য দায়িত্ব দিয়েছে। নিয়ম মাফিক আমার সচিব কয়েকবার তাদের নোটিশ প্রদান করার পরেও তারা পরিষদে আসেনি।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) লতিফুর রহমান বলেন, সেখানে ২৫ টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তিনি বরখাস্ত হয়েছে এমন কোন ধরনের বিষয় আমার জানা নাই। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানজিমা আঞ্জুম সোহানিয়া বলেন, এখন পর্যন্ত জেলা প্রশাসন বা কোথাও থেকে এমন কোন রকমের চিঠি পাইনি। চিঠি পেলে সেখানে তদন্ত সাপেক্ষে প্রশাসক নিয়োগ করার ব্যাবস্তা নেওয়া হবে।