1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
বিয়ের প্রলোভনে প্রেমিক ও দুই বন্ধু মিলে গণধর্ষণ | দৈনিক সকালের বাণী
বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ০৫:২১ পূর্বাহ্ন

বিয়ের প্রলোভনে প্রেমিক ও দুই বন্ধু মিলে গণধর্ষণ

নাগেশ্বরী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : বুধবার, ২৫ মার্চ, ২০২৬
  • ৮১ জন দেখেছেন

বিয়ের প্রলোভন দিয়ে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে প্রেমিকাকে ডেকে নিয়ে গণ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে প্রেমিক ও তার দুই বন্ধুর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় প্রধান আসামী প্রেমিক জাহিদকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বুধবার সকালে ধর্ষণের শিকার নারীকে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে ও গ্রেফতার জাহিদকে আদালতে পাঠায় পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের চর লুছনি এলাকায় সোমবার (২৩মার্চ) দিবাগত রাতে।

কচাকাটা থানার পুলিশ জানায়, ধর্ষনের শিকার কেদার ইউনিয়নের টেপারকুটি গ্রামের ২৩ বছরের ওই নারীর সাথে পার্শবর্তি বল্লভেরখাষ ইউনিয়নের ধারিয়ার পাড় গ্রামের আহাম্মদ আলীর ছেলে জাহিদ হাসানের (২৮) সাথে মোবাইলে প্রেমের সম্পরর্ক সৃষ্টি হয়। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় ওই নারীকে ঢাকায় নিয়ে গিয়ে বিয়ের আশ্বাস দেয় জাহিদ। সন্ধ্যায় জাহিদের ফোনে বাড়ি থেকে বের হয়ে ওই নারী জাহিদের বন্ধু চর লুছনি কুড়ার পার গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে বাবু ওরফে আকাশের বাড়িতে যায়। পরে জাহিদ আরেক বন্ধু লালনকে সাথে নিয়ে ওই বাড়িতে যায়। রাত ১১টার দিকে জাহিদ ও তার দুই বন্ধুসহ দুধকুমার নদীর আয়নালের ঘাটের দিকে যায়। পথিমধ্যে দুধকুমার নদীর তীরে একটি ভূট্রা খেতে নিয়ে গিয়ে জাহিদ তার বন্ধু বাবু ও লালন মিলে পালাক্রমে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়।

পরে গভির রাতে ওই নারী ওই এলাকার একটি বাড়িতে আশ্রয় নেয়। পরদিন মঙ্গলবার (২৪মার্চ) রাতে কচাকাটা থানায় মামলা করলে রাতেই অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামী প্রেমিক জাহিদকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
ধর্ষণের শিকার ওই নারী জানান, মোবাইল ফোনে প্রায় সাত মাস আগে জাহিদের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। ঘটনার দিন ঢাকায় নিয়ে গিয়ে বিয়ের আশ্বাস দেয় জাহিদ। তার কথামতো তার বন্ধুর বাড়িতে যাই আমি।

সেখান থেকে জাহিদ ও তার বন্ধু বাবু ও লালনসহ আয়নালের ঘাটের দিকে যাই সেখানে একটি ভূট্রা খেতে নিয়ে প্রথমে জাহিদ আমাকে ধর্ষণ করে। এসময় তার দুই বন্ধু প্রকাশ করে দেয়ার হুমকি দেয় এবং লোকজন ডেকে আমাদের আটক করার হুমেকি দেয়। জাহিদের সহযোগিতায় তারাও আমাকে ধর্ষণ করে তিনজনই আমাকে ফেলে পালিয়ে যায়।

গভির রাতে অসুস্থ্য অবস্থায় সেখান থেকে এসে আমি একটি বাড়িতে আশ্রয় নেই। পরদিন সকালে (মঙ্গলবার) আমার পরিবার আমাকে সেখান থেকে বাড়িতে নিয়ে আসে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভূরুঙ্গামারী সার্কেল) মুনতাসির মামুন মুন বলেন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে এক নারীর গণধর্ষণের শিকার হয়েছে এমন খবর পেয়ে ভিকটিমকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। রাতেই মামলা দায়ের করে প্রধান আসামী জাহিদকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্য দু্জনকে গ্রেফতারের প্রচেষ্টা চলছে।বিষয়টি জেলা পুলিশ গুরুত্বসহকারে দেখছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )