প্রসাশন থেকে জানানো হয়েছে, এবার অষ্টমীর স্নান উৎসবের জন্য উপজেলার জোড়গাছ ঘাট এলাকায় স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে।
এবার স্নান উৎসব চলাকালে যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা এবং চাঁদাবাজি রোধে প্রশাসন জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। নিয়মিত বাহিনীর পাশাপাশি আরও শতাধিক অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়াও আইনশৃঙ্খলার অন্যান্য বাহিনীও থাকছে মাঠে।
এদিকে, নদীতে পুণ্যার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। নদীতে সার্বক্ষণিক টহলে থাকবে ফায়ার সার্ভিস ও স্পিডবোট। এছাড়া যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি ও দুর্ঘটনা মোকাবিলায় প্রস্তুত রাখা হয়েছে দক্ষ ডুবুরি দল এবং পর্যাপ্ত লাইফ জ্যাকেট।
স্নান ঘাটে বুথ থাকছে ৫০ টি, জনস্বাস্থ্য রক্ষায় ২০টি সুপেয় পানির উৎস এবং ৩০টি অস্থায়ী টয়লেট নির্মাণ করা হয়েছে। পাশাপাশি মেডিকেল টিম থাকবে। পুরো এলাকা মনিটরিং করতে একটি কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হয়েছে।
থানা সূত্র বলছে, ৩৭ টি পয়েন্টে এবার পুলিশ সদস্যরা ডিউটি করবেন। এতে পুলিশের বিভিন্ন ডিপার্টমেন্ট একসঙে কাজ করবেন।
চিলমারী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আলমগীর হোসেন বলেন, এবার সব ধরণের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। আশা রাখি অষ্টমীর স্নার শান্তি পূর্ণভাবে উদযাপন হবে।
চিলমারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদুল হাসান জানান, অষ্টমীর স্নান উৎসবকে শান্তিপূর্ণ ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সাথে উদযাপনে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে এই আয়োজনকে সফল ও সুশৃঙ্খল রাখতে স্থানীয় জনগণের আন্তরিক সহযোগিতা একান্ত প্রয়োজন।