
রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার চেংমারী গ্রামের আজাহার আলীর ছেলে সানোয়ার মিয়া একই জেলার হারাগাছ থানার সাহেবগঞ্জ গ্রামের ফারিহা আক্তারের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। পারিবারিক কলহের কারণে তাদের প্রায় ৫ বছরের সংসার জীবনের মাঝে ফাটল তৈরি হয়। একপর্যায়ে আদালতে নারী নির্যাতনের মামলা করেন ফারিহা। অবশেষে মামলার রায়ে দেনমোহর ও বাবার বাড়ি থেকে নিয়ে আসা মালামাল বুঝিয়ে দিতে আদেশ দেন আদালত। অবশ্য এর আগে সানোয়ার-ফারিয়া বিষয়ে ৩ দফা শালিস বৈঠক করেন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের মিঠাপুকুর উপজেলা শাখার সদস্যরা। সালিশে আদালতের আদেশ না হওয়া পর্যন্ত ফারিহার দাবিকৃত মালামাল আসকের অধীনে থাকবে বলে সম্মতি দেন উভয় পক্ষের লোকজন। সিন্ধান্তমতে ফারিহার দাবিকৃত মালামাল একটি তালিকা করে হেফাজতে নেন আসক ফাউন্ডেশনের সংশ্লিষ্টরা।
শুক্রবার (১৫ নভেম্বর) দুপুরে আদালতের আদেশে পুলিশ ও আসক ফাউন্ডেশনের সদস্যদের উপস্থিতিতে মালামালগুলো বুঝে দেওয়া হয়। সাংসারিক আসবাবপত্র (মালামালের) মধ্যে ছিল, ফ্রিজ, বক্স খাট, টেবিল, চেয়ার, লেপ, তোষক ইত্যাদি। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা আইন সহায়তা কেন্দ্র আসক ফাউন্ডেশনের মিঠাপুকুর উপজেলা শাখার সভাপতি আশিকুর রহমান মন্ডল জানান, দীর্ঘদিনের পারিবারিক একটি সমস্যা আইনগতভাবে সমাধান করতে আমারা চেষ্টা করেছি। ভুক্তভোগীর ন্যায্য অধিকার আদায়ে আমরা সক্রিয় ছিলাম। বিজ্ঞ আদালতের আদেশে আসক ফাউন্ডেশনের অধীনে থাকা কিছু আসবাবপত্র পুলিশ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে বুঝে দেওয়া হয়েছে। অবশ্য সানোয়ার-ফারিয়া দম্পতির দেনমোহর সংক্রান্ত বিষয়ে আদালতে মালমা চলমান রয়েছে। আদালত আমাদের মালামাল বুঝে দেওয়ার আদেশ দিয়েছে আমরা সেটাই করেছি।
এসময় মিঠাপুকুর থানার এসআই মুঞ্জুরুল হাসান, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা আইন সহায়তা কেন্দ্র আসক ফাউন্ডেশন মিঠাপুকুর উপজেলা শাকার সাধারণ সম্পাদক বিলাস অধিকারী, আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মশিউর রহমান রিপন, মানবাধিকার কর্মী সওগাত আলী, মাজহারুল ইসলাম সোহাগ, নূরনবী মিয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
Related