


চলতি ২০২৪ সালের শুরু থেকে এ পর্যন্ত ইসলামের দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ মসজিদ ‘মসজিদে নববিতে’ নামাজ পড়েছেন ১ কোটি ৯০ লাখেরও বেশি মুসল্লি। সরকারি এক বিবৃতিতে সোমবার এ তথ্য জানিয়েছে সৌদি আরব।
ইসলামের আবির্ভাবের পর প্রথম যে মসজিদটি নির্মাণ করা হয়েছিল, সেটির নাম মসজিদে নববি। ৭ম শতাব্দিতে ইসলাম ধর্মের প্রবর্তক হযরত মুহম্মদ (স.) তার সাহাবি-অনুসারিসহ মক্কা ছেড়ে মদিনায় হিজরত করেন। মদিনায় পৌঁছানোর পর সেখানে এ মসজিদটি নির্মাণ করা হয়। মহানবী (সা.) নিজে এই মসজিদের নির্মাণকাজে অংশ নিয়েছিলেন। তার রওজাও এই মসজিদ চত্বরে অবস্থিত।
হজ ও ওমরাহ করার জন্য প্রতি বছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে লাখ লাখ মুসল্লি আসেন সৌদি আরবে। যেসব আচার-আনুষ্ঠানিকতা হজ ও ওমরায় পালন করা আবশ্যিক, সেসবের মধ্যে মসজিদে নববিতে নামাজ আদায়ের বিষয়টি নেই। তবে অধিকাংশ যাত্রী হজ-ওমরাহ’র আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে অন্তত একবার মসজিদে নববিতে নামাজ আদায় এবং মহানবী (সা.)-এর রওজা জিয়ারত করেন।
২০২২ সালে মসজিদে নববি কমপ্লেক্সের আয়তন বৃদ্ধি সংক্রান্ত একটি ডিক্রিতে স্বাক্ষর করেন সৌদির বাদশাহ সালমান বিন আবদুলাজিজ আল সৌদ। বর্তমানে এ কমপ্লেক্সের আয়তন ৫০ হাজার বর্গমিটার বা ৫০ বর্গকিলোমিটার। একসঙ্গে ৬৬ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারেন এই মসজিদে। মুসল্লিদের জন্য মসজিদ চত্বরে সার্বক্ষণিক যানবাহনের ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন সুবিধা রয়েছে।
মদিনার প্রধান ল্যান্ডমার্ক বা প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করা হয় মসজিদে নববিকে।