1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
গাইবান্ধায় জনসভা ও লাল পতাকা মিছিল | দৈনিক সকালের বাণী
বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৫৯ পূর্বাহ্ন

গাইবান্ধায় জনসভা ও লাল পতাকা মিছিল

গাইবান্ধা অফিস
  • আপলোডের সময় : শনিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৪
  • ২৫৪ জন দেখেছেন

১০৭ তম মহান রুশ সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব বার্ষিকী ও বাসদ (মার্কসবাদী)’র ৪৪ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী গাইবান্ধায় পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে জনসভা ও লাল পতাকা মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। শনিবার দুপুরে বাসদ (মার্কসবাদী) গাইবান্ধা জেলা শাখা উদ্যোগে এসব অনুষ্ঠিত হয়।
প্রথমে জেলা শহরের পৌর শহীদ মিনার চত্বরে জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। বাসদ(মার্কসবাদী) গাইবান্ধা জেলার আহ্বায়ক কমরেড আহসানুল হাবীব সাঈদের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বাম গণতান্ত্রিক জোট কেন্দ্রীয় কমিটির সমন্বয়ক ও বাসদ (মার্কসবাদী) কেন্দ্রীয় নির্বাহী ফোরামের সমন্বয়ক কমরেড মাসুদ রান, পার্টির কেন্দ্রীয় নির্বাহী ফোরামের সদস্য কমরেড আহসানুল আরেফিন তিতু, জেলা কমিটির সদস্য কমরেড গোলাম ছাদেক লেবু, কাজী আবু রাহেন শফিউল্লাহ খোকন, কমরেড মাহবুবুর রহমান খোকা, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও গনতান্ত্রিক ছাত্র জোটের সমন্বয়ক ছাত্রনেতা সালমান সিদ্দিকী প্রমুখ।

 

বক্তারা বলেন, ছাত্র-জনতার অভূতপূর্ব সংগ্রাম ও জীবনদানের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদী আওয়ামী সরকারের পতন হয়েছে। এতবড় ত্যাগ ও সংগ্রামের ফলে আন্দোলনের মধ্য থেকেই দাবি উঠেছে সমাজের সকল ক্ষেত্রে বৈষম্য দূর করার। ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে ২৪ এর গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত প্রতিটি সংগ্রামের একটা বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো এখানে শোষণমুক্তির স্বপ্ন নিয়ে ছাত্র-শ্রমিক-কৃষক-জনতা জীবন দিয়ে একেকটা জুলুমবাজ সরকারের পতন ঘটিয়েছে। কিন্তু তারপরে যারা ক্ষমতায় বসেছে তাদের কেউই জনগণের সেই আশা-আকাঙ্ক্ষা স্বপ্ন পূরণে কোন কার্যকর উদ্যোগ নেয়নি। তারা পাহারা দিয়েছে বড়লোকের সম্পদ, সুযোগ করে দিয়েছে ধনিক শ্রেণিকে লুটপাটের। এভাবে গত ৫৩ বছরে ধনী-গরীবের বৈষম্য হয়েছে আকাশ-পাতাল। ২৪ এর গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী অন্তর্বতীকালীন সরকারের ৩ মাসের রাষ্ট্র পরিচালনা জনগণকে ধীরে ধীরে হতাশ করে তুলছে। শেষ পর্যন্ত এ সরকারও মানুষের মৌলিক সমস্যার সমাধান করতে পারবে না। জনগনের সংকট সমস্যা সমাধান করতে হলে শিক্ষা নিতে হবে মহান রুশ সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের কাছ থেকে। নেতৃবৃন্দ আরও বলেন ১০৭ বছর আগে পৃথিবীর বুকে সর্বহারা শ্রেণী মার্কসবাদ লেনিনবাদের শিক্ষায় বিপ্লবের মাধ্যমে যে নতুন সমাজ প্রতিষ্ঠা করেছিল তার তুলনা নেই ।

 

১৯১৭ সালের ৭ নভেম্বর বিপ্লবের তাৎপর্য কেবলমাত্র রাশিয়ার মাটিতে সীমাবদ্ধ ছিলো না, দুনিয়ার দেশে দেশে শ্রমজীবি মানুষের কাছে এনেছিলো মানবমুক্তির এক নতুন বার্তা। শ্রমিক শ্রেণীর যে রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো সোভিয়েত ইউনিয়নে সেই সমাজতান্ত্রিক দেশ মানুষ কে সকল ধরনের নিরাপত্তা দিয়েছিলো। সেখানে ছিলো না কোন ভিক্ষুক, বেকার, পতিতা। সবার জন্য শিক্ষা ও চিকিৎসা ছিলো বিনামূল্যে। নারীরা পেয়েছিলো প্রকৃত মর্যাদা ও স্বাধীনতা। মহান লেনিনের নেতৃত্বে নভেম্বর বিপ্লবের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয় এমন এক সমাজ যেখানে দারিদ্র ও ক্ষুধা নেই। নেই বেকারত্ব ও অশিক্ষা, নেই ভিক্ষা ও পতিতাবৃত্তি। সামরাাজ্যবাদীদের যুদ্ধ চক্রান্তের বিপরীতে মানুষের শেষ আশ্রয়স্থল হয়ে উঠেছিলো এই সমাজতন্ত্র। এর নেতৃত্বে গড়ে উঠেছিলো যুদ্ধবিরোধী শান্তিশিবির। এককভাবে সোভিয়েত সমাজতন্ত্রের এই অভূতপূর্ব সাফল্য ও অগ্রগতির পরও তার পতন ঘটে। কিন্ত তা স্বত্বেও এর শিক্ষা মার্কসবাদ লেনিনবাদের সেই দৃঢ় ও উন্নত উপলব্ধি কমরেড শিবদাস ঘোষের চিন্তাধারাকে প্রয়োগ করে বাংলাদেশের মাটিতে শোষণহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে নিয়োজিত আমাদের মহান পার্টি বাসদ (মার্কসবাদী)’র এই সংগ্রামকে এগিয়ে নিতে দেশের সকল শ্রমজীবী মেহনতী মানুষ ও গণতন্ত্রমনা মানুষকে এগিয়ে আসার আহবান জানান।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )