1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
সাথি ফসল চাষে কৃষকের মুখে হাসি  | দৈনিক সকালের বাণী
মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১১:০৮ অপরাহ্ন

সাথি ফসল চাষে কৃষকের মুখে হাসি 

গঙ্গাচড়া (রংপুর) প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : মঙ্গলবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ২৫০ জন দেখেছেন
রংপুরের গঙ্গাচড়ায় গ্রামীণ কৃষকদের মধ্যে একটি নতুন সম্ভবনাময় উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে। হলুদের সঙ্গে বেগুন সাথি ফসল হিসেবে চাষ করে তারা নতুন সম্ভাবনার দাঁড় উন্মোচন করেছেন । এই সাথি ফসল চাষের মাধ্যমে শুধু অর্থনৈতিকভাবে লাভবান নয়, বরং মাটি ও পরিবেশে উন্নয়নেও বিশেষ ভূমিকা রাখছেন কৃষকরা।
বেতগাড়ি ইউনিয়নে চন্দের হাট গ্রামের কৃষক তাজুল ইসলাম বলেন, হলুদ এবং বেগুনের সাথি চাষের মাধ্যমে তারা দুই ধরনের ফসলের উৎপাদন থেকে অধিক লাভবান হচ্ছেন। এই পদ্ধতিতে একটি ফসলের সাথে অপর একটির সঙ্গে সঙ্গতি রেখে চাষ করা হয়, ফলে মাটির পুষ্টি গুণ যেমন বজায় থাকে, তেমনি রোগের প্রকোপও কম। তাই অতিরিক্ত সার ও কীটনাসকের প্রযোজন না হওয়ায় লাভও বেশি হয়। এছাড়া বেগুনের শিকড় মাটির গভীরে প্রবাহিত হয়ে মাটি আরও উর্বর করে, যা হলুদ গাছের জন্য উপকারী।
এ বিষয়ে ঐ এলাকার কৃষক এনামুল হক বলেন, বর্তমানে পাইকররা এসে ১২০০-১৩০০ টাকা মণ কিনে নিচ্ছে। ৩৫ শতক জমিতে  বেগুন লাগিয়েছি। আবাদে খরচ হয়েছে ১ লাখ টাকা। তবে ইতিমধ্যে তিন লাখ টাকার বেগুন বিক্রি করে ফেলেছি। প্রতি সপ্তাহেই ২০/২১ মণ বেগুন তুলতে পারছি। আশা করছি আগামী দুই আড়াই মাসও বেগুন তুলতে পারব। বেগুন চাষে যে সার ব্যবহার হয় সে সার দিয়ে হলুদ চাষ হয় আর কোন সার ব্যবহার করা লাগে না।এতে ৩০ শতক জমিতে কাঁচা হলুদ উৎপাদন হয় প্রায় ২৫০ থেকে ৩০০ মণ। এর মধ্যে কাঁচা হলুদের মণ প্রতি মূল্য ১৫০০ থেকে ১৮০০ টাকা।
এছাড়া, এই সাথি ফসল চাষের ফলে কৃষকরা তাঁদের উৎপাদিত পণ্য বাজারে বিক্রি করে আরও ভাল দাম পাচ্ছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধরনের চাষ পদ্ধতি পরিবেশবান্ধব এবং টেকসই কৃষির দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
অনেকে স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শে এই সাথি ফসল চাষ শুরু করেছেন। আধুনিকায়নে এই পদ্ধতিতে কাজ করতে গিয়ে উৎপাদন খরচ কমছে এবং ফলনের পরিমাণও বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে করে কৃষকদের আয় বাড়ছে, এবং সম্ভাবনাময় এই চাষ পদ্ধতি কৃষি খাতে নতুন দ্বাড় উন্মোচিত করবে বলেই তারা মনে করছেন।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সৈয়দ শাহিনুর ইসলাম বলেন, কৃষিখাতকে উন্নয়নমুখী ও লাভজনক করতে উপজেলার দুই ফসলি জমিগুলোকে তিন বা চার ফসলি করার চেষ্টা চলছে। এবছর অনেক জমিতে সাথী ফসল চাষ করেছেন কৃষকরা। আগামীতে আরও বেশি  করে করার  জন্য পরামর্শ ও সহায়তা দেয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )