বৃহস্পতিবার ৫ ডিসেম্বর জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৩ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস জানিয়েছেন রাজারহাট আবহাওয়া অফিস কর্তৃপক্ষ।
রাজারহাট আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার জানান, জেলার তাপমাত্রা দিন দিন নিম্নগামী হচ্ছে। এখন ঠাণ্ডার অনুভূতি বাড়ছে। ভোর পর্যন্ত ঠাণ্ডা বাতাস বইছে। সকাল থেকে রোদ কিছুটা উষ্ণতা ছড়াচ্ছে।
অটো রিক্সা চালক মোঃ আসাদুল বলেন,সকালে কুয়াশার কারনে হেড লাইট জ্বালিয়ে রাস্তায় সাবধানে চলাচল করতে হচ্ছে।কুয়াশার কারনে বেশি দুর দেখা যায় না।দিন যতই যাচ্ছে ঠান্ডার মাত্রা বাড়ছে।
কুড়িগ্রাম সদরের ধরলার পাড় এলাকার শিক্ষক মোঃ আব্দুল হাই জানান, কনকনে ঠাণ্ডায় কাঁপছে চরাঞ্চলের মানুষ। অনেকেই শীত নিবারণ করছে খড়কুটো জ্বালিয়ে। জীবিকার তাগিদে শীত উপেক্ষা করেই ক্ষেতমজুররা ধান কাটছে।
যাত্রাপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৬নং ওয়ার্ড সদস্য আনোয়ার হোসেন জানান, তার ওয়ার্ডের অধিকাংশ মানুষই খেটে-খাওয়া দিনমজুর। তাদের অনেকেরই শীত বস্ত্র কেনার সামর্থ্য নেই। কয়েকদিন ধরে তাপমাত্রা নিম্নগামী হওয়ায় কাবু হয়ে পরেছে ব্রহ্মপুত্রের অববাহিকায় বসবাসকারী মানুষ।
আবহাওয়া কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার বলেন,কয়েকদিন ধরে তাপমাত্রা নিম্নগামী। ডিসেম্বর মাসে জেলা জুড়ে দুই-তিনটা শৈত্য বয়ে যেতে পারে।আজ জেলায় ১৩.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।