এদিকে, বৃহস্পতিবার রাত থেকে জেলার সড়ক মহাসড়কে কুয়াশা পড়তে দেখা যায়। রাতভর বৃষ্টির মতো ঝরতে থাকে কুয়াশা। শুক্রবার বেলা ১১টা পর্যন্ত তীব্র ঘন কুয়াশার কারণে সূর্যের মুখ দেখা যায়নি। অন্যদিকে, হিমালয় থেকে আসা হিমেল হাওয়া শীতের তীব্রতা আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। শীত ও ঘন কুয়াশা অপেক্ষা করে শ্রমজীবী মানুষদের কাজের সন্ধানে বেরিয়ে যেতে দেখা গেছে।
জেলার বোদা উপজেলার ময়দানদিঘী ইউনিয়নের নলেহাপাড়া এলাকার দিনমজুর জালাল উদ্দীন বলেন, গত কয়েকদিনের তুলনায় কুয়াশার পরিমাণ ও শীতের তীব্রতা বেড়েছে। আজকে সকালে কাজে যেতে খুব কষ্ট হচ্ছে। ঠান্ডায় হাত পা কোকড়া হয়ে আসছে।
সদর উপজেলার ধাক্কামারা ইউনিয়নের বিজয় চন্দ্র রায় বলেন, সকালে জরুরী কাজে গ্রামের বাজারে যাওয়ার জন্য বের হলাম। কিন্তু ১০ হাত দূরেও দেখা যাচ্ছে না। এতই ঘন কুয়াশা। শীতে আমাদের খুব কষ্ট হচ্ছে।
তেতুঁলিয়া আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, আকাশে মেঘ থাকায় ঘন কুয়াশা পড়েছে। গত কয়েকদিন আগে কুয়াশা ছিলনা। তবে ডিসেম্বরের মাঝামাঝিতে শীতের তীব্রতা আরো বাড়বে।