এ বিষয়ে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, বালু উত্তোলনের ফলে ঘাঘট নদীর গভীরতা বাড়ছে এবং পানির স্রোত বৃদ্ধি পেয়ে আশপাশের গ্রামগুলোতে বন্যার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। তবুও প্রশাসনের তেমন কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি। এ বিষয়ে বড়বিল ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ( মেম্বার) বুলবুল আহমেদ সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, নদীর গতিপথ পরিবর্তনের জন্য বালু তোলা হচ্ছে।” গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, “বালু উত্তোলন সম্পূর্ণ অবৈধ। দোষীদের বিরুদ্ধে শিগগিরই অভিযান চালানো হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”