1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
মিঠাপুকুর চাঁদপাড়া আদর্শ সপ্রাবিতে ভুয়া পদে নিয়োগের চেষ্টা, মোটা অঙ্কের টাকা লেনদেন! | দৈনিক সকালের বাণী
শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:২৮ পূর্বাহ্ন

মিঠাপুকুর চাঁদপাড়া আদর্শ সপ্রাবিতে ভুয়া পদে নিয়োগের চেষ্টা, মোটা অঙ্কের টাকা লেনদেন!

মিঠাপুকুর (রংপুর) প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : শনিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ৩০৪ জন দেখেছেন
মিঠাপুকুরের চাঁদপাড়া আদর্শ সরকারী প্রাথিমক বিদ্যালয়ে ভুয়া পদে নিয়োগের চেষ্টায় সাড়ে ৫ লাখ টাকা লেনদেনের ঘটনা ঘটেছে। ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও তার স্বামী মিলে সন্তোষপুর আকন্দপাড়া গ্রামের শাকিল মিয়ার কাছে এই নিয়োগের চেষ্টা করেন। পরে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ওই নিয়োগকে ভুয়া বলে আখ্যায়িত করে মন্ত্রনালয়কে জানিয়ে দেন। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চাঁদপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনজুমান আরা বেগম ও তার স্বামী আনহারুল ইসলাম বুলু বিদ্যালয়ের অফিস সহায়ক পদে নিয়োগের নামে সাড়ে ৫ লাখ টাকা উৎকোচ গ্রহন করেন। প্রায় বছর দুয়েক ধরে কয়েকবার চেষ্টা করেও ওই পদে নিয়োগ দিতে পারেনি তারা। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ওই পদে নিয়োগের কোন কাগজপত্র নেই বলে মন্ত্রনালয়কে জানিয়ে দিয়েছেন।
চাকুরি প্রত্যাশি শাকিল মিয়ার বাবা ফুলু মিয়া বলেন, অফিস সহায়ক পদে চাকুরির জন্য হেড ম্যাডামের স্বামী বুলু স্যার সাড়ে ৫ লাখ টাকা নিয়েছিল। চাকুরি হয়নি, কিছু টাকা ফেরৎ দিয়েছেন। পরে শুনেছি যে পদে চাকুরি দেওয়ার কথা ছিল, সেটি ভুয়া পদ। নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, এই বিদ্যালয়ের প্রতিটি কাজে হেড ম্যাডামের স্বামী হস্তক্ষেপ করেন। এমনকি ভুয়া পদে নিয়োগের জন্য তিনি কয়েকজনের কাছে মোটা অংকের উৎকোচ গ্রহন করেছেন। দু’একজনকে কিছু টাকা ফেরৎ দিয়েছেন বলে শুনেছি।
প্রধান শিক্ষক আনজুমান আরা বেগমের স্বামী আনহারুল ইসলাম বুলু বলেন, অফিস সহায়ক পদে নিয়োগের জন্য মন্ত্রনালয়ের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার সাথে লিয়াজো হয়েছিল। টাকাগুলো তার প্রতিনিধিকে দেওয়া হয়েছে। কাজ না হওয়ায় টাকা ফেরৎ দিয়েছেন। প্রধান শিক্ষক আনজুমান আরা বেগম বলেন, ওই নিয়োগ সম্পর্কে আমি কিছু জানিনা।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোজাম্মেল হক শাহ্ বলেন, মন্ত্রনালয় হতে অফিস সহায়ক পদে ওই বিদ্যালয়ে কেউ কর্মরত আছেকিনা?- জানতে চাওয়া হয়েছিল। আমি বিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট লোকজনের সাথে কথা বলে কেউ নেই জানিয়ে দিয়েছি। এছাড়াও ওই পদে নিয়োগের কোন কাগজপত্র আমার দপ্তরে নেই।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )