নিম্ন কোর্টের রায়ের বিপক্ষে মাজহারুল ইসলাম লেবু উচ্চ কোর্টে আপিল করলে পরবর্তীতে দীর্ঘ দিন মামলা চলমান থাকার পর গত ১৩ ফেব্রুয়ারী মহামান্য হাইকোর্ট দায়েরকৃত রিটটি খারিজ করে। তারই প্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্টের নির্দেশে রংপুর জেলা প্রশাসক রবিউল ফয়সাল এই শপথ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন এবং শপথ বাক্য পাঠ করান।
শপথ গ্রহণের পর মাহফুজার রহমান দুলু বলেন, “এই জয় শুধু আমার নয়, গঙ্গাচড়া সদর ইউনিয়নবাসীর। তারা যে মূল্যবান ভোট আমাকে দিয়েছিলেন, তার সঠিক প্রতিফলন আজ আদালতের রায়ে প্রতিফলিত হয়েছে। আমি নির্বাচনী ইশতেহারে জনগণের উদ্দেশ্যে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম তা বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করব ইনশাল্লাহ। ইউনিয়নবাসীর সেবা ও উন্নয়নে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাব।”
স্থানীয় বাসিন্দারা নতুন চেয়ারম্যানের কাছে ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়ন ও স্বচ্ছ প্রশাসনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন। তারা মনে করেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের ভোট কারচুপির বিষয়টি মাহফুজার রহমান দুলুর দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে আইনি লড়াইয়ের পর পাওয়া এই বিজয় যেমন সুষ্ঠু নির্বাচনের দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে,তেমনি গোটা বাংলাদেশে আওয়ামী নির্বাচন কারচুপির বিষয়টিকেও স্পষ্ট করেছে।
এবিষয়ে মুটোফোনে তৎকালীন গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাচন অফিসার আইনুল হক বলেন,আমি উপজেলা ইলেকশন অফিসারের দায়িত্বে ছিলাম। ইউনিয়ন নির্বাচন অফিসারের দায়িত্বে ছিলেন কৃষি অফিসার শরিফুল ইসলাম। তিনি এবিষয়ে ভালো বলতে পারবেন।