


নীলফামারী জেলার কিশোরগঞ্জ উপজেলার রনচন্ডী ইউনিয়নের কবিরাজের বাজার এলাকায় ৭১ সালের নির্মম ইতিহাস কে হার মানিয়ে নিঃপুত্র এক সৎ মায়ের বাড়ি ভাংচুরসহ হত্যার অভিযোগ উঠেছে সৎ তিন ছেলের উপরে। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ওই মহিলা রনচন্ডী ইউনিয়নের কবিরাজের বাজার কিশামত বীচরন এলাকার অবঃ প্রাপ্ত শিক্ষক আছাহাব হোসেন মাষ্টারের ২য় স্ত্রী মমিনা খাতুন। বিয়ের পর থেকে ওই সৎ তিন ছেলে মা হিসেবে মেনে না নেয়নি। বুধবার (১৩ মার্চ) দুপুরের দিকে সুপারী পাড়া কে কেন্দ্র করে প্রথমে মারপিঠের স্বীকার হন ঐ মহিলা পরে জাতীয় সেবা ৯৯৯ কল করে প্রশাসনের সহযোগিতা নিলে পুলিশ পরিবেশ কিছুটা শান্ত করে ফিরে আসতে না আসতেই ঐ সৎ তিন ছেলে বাহির থেকে আরও কতিপয় লোক সংগ্রহ করে পুরো বাড়ি ভাংচুর করে হত্যার চেষ্টা চালান।
এবিষয়ে ভুক্ত ভোগী পরিবারের প্রধান ঐ তিন ছেলের বাবা আছাহাব মাষ্টারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আগের সংসারের ওই তিন ছেলে আমার ২য় স্ত্রী কে বিয়ের পর থেকে মা হিসেবে মেনে নেয়নি। ঘটনার দিন আমার রোপণ করা সুপারি গাছের সুপারি পাড়া নিয়ে পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে বাহির থেকে লোক সংগ্রহ করে পরের সংসারের দুই মেয়ে ও জামাই কে সহ ২য় স্ত্রী কে বাড়ির বেড়া ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে লোহার রড শীকল ও চেইন দিয়ে মারপিট করে পুরো বাড়ি ভাংচুর করে। ছোট মেয়ের শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে কামড় দেন এবং ২য় স্ত্রীকে গলা চিপে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যার চেষ্টা চালায়।
ভুক্তভোগী মমিনার সাথে কথা হলে তিনি বলেন, পূর্বের সংসারের ওই তিন ছেলে আমাকে বিয়ের পর থেকেই মা হিসেবে মেনে নিতে না পারায় সব সময় আমাকে এখান থেকে উচ্ছেদ করার পায়তারা করছেন। আমার মেয়েদের সম্পর্কে প্রায় বদনাম সৃষ্টি করে। আমাকে এখান থেকে উচ্ছেদ করার পরিকল্পনার করছে। আমার বাড়ির বেড়া ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে লোহার রড দেশিও অস্ত্র ও শীকল দিয়ে হত্যার চেষ্টা করে পুরো বাড়ি ভাংচুর করে।
পূর্বের সংসারের ২য় ছেলে গাজী মাজাহারুল ইসলামের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, মারপিট উভয়পক্ষের মধ্যে হয়েছে তবে বাড়িঘর ভাংচুর করা ঠিক হয়নি এগুলো আমাদেরই ক্ষতি হয়েছে। কিশোরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আশরাফুল ইসলামের সাথে কথা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অভিযোগ পেয়েছি আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।