পারিবারিক সুত্রে জানা গেছে, কয়েকদিন আগে মা মন্জু বেগমের সাথে মিলনের পারিবারিক বিষয় নিয়ে ঝগড়াঝাটি হয়। ঝগড়ার সময় মিলন মা মন্জু বেগমের সাথে দুর্ব্যবহার করেন।
এ নিয়ে গতকাল রবিবার (২৪ আগষ্ট) রাতে বাবা-মাসহ পরিবারের সকলে মিলে মিলনকে শাসন করে মা মন্জু বেগমের কাছে ক্ষমা চাওয়ানো হয়। মায়ের কাছে ক্ষমা চাওয়ার পর ছেলে মাকে ভাত খাইয়ে দেন। এক পর্যায়ে সকলের সাথে খাওয়া দাওয়া করে নিজ ঘরে চলে যান মিলন।
রাত সাড়ে ১১ টার দিকে মিলনের ফুপু শান্তি বেগম মিলনকে ডাক দেন।
কয়েকবার ডাকার পরেও সাড়া না পেয়ে ঘরে ঢুকে সিলিং ফ্যানের সাথে মিলনের দেহ ঝুলতে দেখেন শান্তি বেগম। তার চিৎকারে ছোটবোন কোহিনূর, ছোটভাই রুবেল দৌড়ে এসে ফাঁসের রশি কেটে মিলনকে উদ্ধার করে। পরে পরিবারের লোকজন দ্রুত তাকে ফুলবাড়ী হাসপাতালে নিয়ে গেলে কত্যবরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত যুবক গত সাড়ে চার মাস আগে আগে একই উপজেলার শিমুলবাড়ী ইউনিয়নের রসুন শিমুলবাড়ী এলাকার সুজন মিয়ার মেয়ে সানজিদার সঙ্গে পারিবারিক ভাবে বিয়ে সম্পুর্ন হয়।
ফুলবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুস ছালাম জানান, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, পরিবারের লোকজনের সাথে অভিমান করে ওই যুবক আত্মহত্যা করেছে। পরিবার ও স্থানীয়দের কোন অভিযোগ না থাকায় এ ব্যাপারে থানায় ইউডি মামলা দায়ের করে মরদেহ দাফনের অনুমতি দেয়া হয়েছে।