1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
ঘোড়াঘাটে আমনের বাম্পার ফলনে আশাবাদী চাষি | দৈনিক সকালের বাণী
সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ০৬:৩২ অপরাহ্ন

ঘোড়াঘাটে আমনের বাম্পার ফলনে আশাবাদী চাষি

ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর) প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : রবিবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১২৬ জন দেখেছেন

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে চলতি আমন মৌসুমে ধান চাষে বাম্পার ফলনে আশাবাদী স্থানীয় চাষিরা। এবার ঘোড়াঘাটে ১১ হাজার ৫শ ৫ হেক্টর জমিতে আমনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে বলে উপজেলা কৃষি অফিস জানিয়েছে। কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী উৎপাদন হলে চলতি মৌসুমে ঘোড়াঘাটে প্রায় ৫৮ হাজার ৪শ ১০ মেট্রিক টন আমন ধান উৎপাদিত হতে পারে।

যা চালের হিসাবে ৩৮ হাজার ৯শ ৪০ মেট্রিক টন। এবার যেসব জাতের আমন ধান চাষ হচ্ছে, তার মধ্যে উলে¬খযোগ্য হচ্ছে, বি আর ১১, ব্রিধান-৩৪, ব্রিধান-৪৯, ব্রিধান-৫২, ব্রিধান-৭৫, ব্রিধান-৮৭, বিনা ধান ৭, ১৭, ১৫ সহ হাইব্রিড জাতের ধানী গোল্ড, তেজ, এজেন্ট ৭০০৬, ব্রিহাইব্রিড ৬, ব্র্যাক, ইস্পাহানী ১। এছাড়াও স্থানীয় জাত শাইল, কাটারিভোগ, কালিজিরা প্রভৃতি। এছাড়া কোথাও কোথাও কৃষকরা তাদের নিজস্ব সংরক্ষিত বীজ থেকেও চারা তৈরি করে আবাদ করছেন। স্থানীয় জাতগুলোর ঘ্রাণ ও স্বাদ ভালো হলেও ফলন তুলনামূলক কম। অন্যদিকে, ব্রি ও হাইব্রিড জাতগুলো থেকে অধিক ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে।

উপজেলার উত্তর দেবীপুর গ্রামের কৃষক আব্দুল লতিফ বলেন, ‘এবার ১০ বিঘা জমিতে বি আর ১১ ধান লাগিয়েছি। সময়মতো জমিও প্রস্তুত করতে পেরেছি। চারা রোপণের পর থেকে আবহাওয়া ভালো থাকায় ধানের বৃদ্ধি ভালো হচ্ছে। কৃষি অফিস থেকেও নিয়মিত পরামর্শ পাচ্ছি। আশা করছি ফলন ভালো হবে।’ আরেক কৃষক আসাদুল ইসলাম জানান, ‘গত বছর নানা সমস্যায় ফলন কম হয়েছিল। এবার আবহাওয়া ভালো এবং জমিতে পানি ধরে রাখতে পেরেছি। আশা করছি লোকসান হবে না।’ কৃষ্ণরামপুর গ্রামের রেজাউল করিম বলেন, ‘অনুকূল আবহাওয়া, পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত এবং কৃষি বিভাগের কার্যকর উদ্যোগের ফলে এ মৌসুমে ভালো ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে।’

ঘোড়াঘাট উপজেলা কৃষি অফিসার রফিকুজ্জামান জানান, ‘আমন মৌসুমে উপজেলায় ১১ হাজার ৫শ ৫ হেক্টর জমিতে ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে অধিকাংশ জমিতে চারা রোপণ শেষ হয়েছে এবং ধান গাছে থোড় আসতে শুরু করেছে। আমরা নিয়মিত মাঠ পর্যায়ে কাজ করছি যাতে কৃষকরা সময়মতো পরিচর্যা ও রোগবালাই নিয়ন্ত্রণে সঠিক পদক্ষেপ নিতে পারেন।’ তিনি আরও জানান, চলতি মৌসুমে উফশী ও স্থানীয় জাতের ধান চাষ হচ্ছে। কৃষকদের মাঝে উন্নত জাতের বীজ, সার ও পরামর্শ সরবরাহ করা হয়েছে। কীটনাশক ব্যবস্থাপনাও সঠিকভাবে পরিচালনা করা হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )