নদীর উত্তর তীরবর্তী স্থানীয় বাসিন্দা তাজুল ইসলাম জানান যদিও ইউনিয়ন বাহাগিলী কিন্তু একই ওয়ার্ড দুই ভাগে বিভক্ত হয়েছে। অর্ধেক মানুষ নদীর উত্তর তীরে এবং আর অর্ধেক মানুষ নদীর দক্ষিণ তীরে বসবাস করছেন।
এতে বিশেষ করে ভোটের সময় ও চাষাবাদে কঠিন সমস্যা পোহাতে হয় এই ওয়ার্ডের মানুষ জন কে। বাপ দাদার আমল থেকেই এই এলাকার মানুষের দুর্ভোগের শেষ নেই ।
স্থানীয় বাসিন্দা গোলাম সারোয়ার মুকুল জানান, বাহাগিলী ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের অক্লান্ত প্রচেষ্টায় ও এলাকাবাসীর সহযোগিতায় গত ২ থেকে ৩ বছর পূর্বে জড়িয়াল ঘাটে চাঁড়াল কাটা নদীর উপর কাঠের ব্রিজটি নির্মান করা হয়। গত বছর পানির স্রোতের প্রবল বেগের কারনে ব্রীজ টি ভেঙে যাওয়ায় চলাচলে অনুপোযোগী পড়লে ইউপি চেয়ারম্যানের প্রচেষ্টায় নিজস্ব অর্থায়নে কাঠের ব্রিজটি পূনরায় মেরামত করা হয় ।
কিন্তু এবছরে পানির চাপে ব্রিজের এক অংশ আবারও ভেঙে পড়ে যায়। ব্রিজটি ভেঙে যাওয়ায় আশেপাশের এলাকার মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে গেছে।
বাহাগিলী ইউনিয়নের একাধিক স্থানীয় বাসিন্দারা জানান,দীর্ঘ সময় ধরে সংস্কারের দাবি জানানো হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অবহেলা ও গাফিলতির কারণেএখনো কোনো মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এই ভাঙা ব্রিজটি বিভিন্ন এলাকার মানুষের যাতায়াতকে কঠিন করে তুলেছে। বিশেষ করে গ্রামীণ যোগাযোগ ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। আমরা ভাঙা কাঠের ব্রিজটি দ্রুত সংস্কারের জন্য জোর দাবি জানাচ্ছি।
বাহাগিলী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ সুজাউদ্দৌলা লিপ্টন বলেন, আমি নিজ উদ্যোগে জনসাধারণের দুর্ভোগ কমাতে যাতায়াতের জন্য জড়িয়াল ঘাটে চাঁড়াল কাটা নদীর উপর কাঠের ব্রিজটি নির্মান করি। কিন্তু পরিষদের কিছু সদস্যরা অসৎ উদ্দেশ্যে আমার প্রতি অনাস্থা এনে উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে বাধাগ্রস্থ করছেন। তবে আমি আবারও আমার নিজস্ব অর্থায়নে ব্রিজটি দ্রুত সময়ের মধ্যে মেরামত করে দিবো।