


রংপুরে পারিবারিক ও জমিজমা নিয়ে পূর্ব শত্রুতার জেরে প্রতিপক্ষকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছে। গুরুত্বর আহত হয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃতে্যুর সঙ্গে পাল্লা লরছে পরিবারটির সদস্যরা। এ ঘটনায় থানায় এজাহার দায়ের করেছেন ভূক্তভোগী রংপুরের হাজীরহাট থানার চকইসবপুর গ্রামের হাফিজার রহমানের মেয়ে ও আবদুল মজিদের স্ত্রী হামিদা বেগম।
থানায় দেয়া এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে যানাযায়, গত বুধবার দুপুরে হামিদা বেগম। স্বামী আব্দুল মজিদ তার বড় বোন মঞ্জুয়ারা বেগম তার নিজ বাড়ী থেকে জমি বন্দক নেয়ার জন্য তিন লক্ষ টাকা নিয়া বাড়ীতে আসার সময় একই এলাকার আমিরুল ইসলামের ছেলে মাসুদ মিয়া (৩২) আনারুল ইসলামের ছেলে এনামুল (২৫) বিটিশ মিয়ার ছেলে জাহিদ মিয়া (২২), ঘোতা মিয়ার ছেলে মো. রুবেল (২০) ৫। মৃত ছেনারের ছেলে আমিরুল ইসলাম (৬২), খানেমূলের ছেলে বিজয় (২৬) আব্দুল করিমের ছেলে মো. পলাশ (৩৭) মো. আনারুল ইসলামের ছেলে আলমগীর (২২) হামিদা বেগমের স্বামীকে তার বোনের বাড়ীর আঙ্গিনায় পূর্ব শত্রুতার জেরে বিভিন্ন অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। এসময় তারা গালিগালাজ করতে নিষেধ করলে আমিরুল ইসলাম এর হুকুমে লাঠি, লোহার রড, ধারালো ছোরাসহ দেশিও অস্ত্র দিয়ে জাহানারার স্বামী আবদুল মজিদের ওপর হামলা করে।
এসময় মাথায় ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়ে রক্ত বের হতে শুরু করে। পরে আবদুল মজিদ অঞ্জান হয়ে পরলে আবারও মাসুদ মিয়া তার হাতে থাকা ধারালো ছোরা দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে মজিদের মাথায় হত্যার উদ্যেশে আবারো কোপ মারে। এরপর হামলাকারীদের মধ্যে অন্যতম মো. এনামুল মজিদের প্যান্টের পকেট থেকে তিল লক্ষ টাকা বের করে নেয়।
ভূক্তোভোগী জাহানার বেগম জানান, এসময় আমার ননদ মঞ্জুয়ারা বেগমসহ আমার স্বামীকে রক্ষার চেষ্টা করলে আমাকেসহ আমার ননদ এর শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাথাড়িভাবে মারপিট করিয়া ছিলাফোলা জখম করেন তারা। এছাড়াও আমার ননদ এর পরিহিত কাপড় চোপড় টানাহেচরা করিয়া শ্রীলতাহানি করে। আমার ননদ এর গলায় পরিহিত ০৮ (আট) আনা ওজনের স্বর্ণের চেইন টান দিয়া খুলিয়া নেয় । যাহার মূল্য আনুমানিক এক লক্ষ দশ হাজার টাকা। একপর্যায়ে তারা আমার ননদ এর বসত বাড়ী ভাংচুর করে এবং আমার ননদ এর উত্তর দুয়ারী টিনের রান্নাঘরে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরে স্থানীয়রা এস আগুন নেভায়।
স্থানীয়রা গুরুত্বর আহত অবস্থায় জাহানারা বেগমের স্বামী ও ননদকে হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়। কিন্তু এখনো তারা আশঙ্কাজনক থাকায় হাসপাতালের বিছানায় জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষনে রয়েছে। উক্ত ঘটনায় গত বুধবার রংপুর মেট্রাপলিটন হাজীরহাট থানায় বাদি হয়ে অভিযোগ দায়ের করেছেন মজিদের স্ত্রী হামিদা বেগম। এ বিষয়ে হাজীরহাট থানার ওসি জানান, মামলার প্রক্রিয়া চলছে দ্রুত আসামীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।