1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
ডোমারে চার মানবাধিকার কর্মী আটক, মুচলেকায় উদ্ধার | দৈনিক সকালের বাণী
রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৫৪ অপরাহ্ন

ডোমারে চার মানবাধিকার কর্মী আটক, মুচলেকায় উদ্ধার

ডোমার (নীলফামারী) প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৪১ জন দেখেছেন
নীলফামারীর ডোমারে “ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইট অর্গানাইজেশন” এবং “আইন সহায়তা ফাউন্ডেশন(আসফ)” মানবাধিকার সংগঠনের চার কর্মীকে আটক করে এলাকাবাসী। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মুচলেকা নিয়ে তাদের উদ্ধার করে। অভিযোগ উঠেছে, পারিবারিক বিষয়ে কোনো লিখিত বা মৌখিক অভিযোগ ছাড়াই তারা রাতে একটি বাড়িতে গিয়ে হয়রানিমূলক আচরণ করেছেন।
শনিবার রাত ৯টার দিকে ডোমার পৌরসভার ডাঙ্গাপাড়া এলাকার মশিয়ার রহমানের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মশিয়ার রহমানের দক্ষিণ কোরিয়া প্রবাসী ছেলের সঙ্গে তার স্ত্রীর সাংসারিক কিছু সমস্যা চলছিল। তবে এ বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে কোথাও কোনো অভিযোগ করা হয়নি। অভিযোগ রয়েছে, এমন পরিস্থিতিতে রাতের বেলায় চারজন মানবাধিকার কর্মী ওই বাড়িতে উপস্থিত হন। তাদের নেতৃত্বে ছিলেন ডোমার সদর ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্যের স্ত্রী এবং সংগঠনটির ডোমার উপজেলা সভাপতি মোছা. রুনা লায়লা।
স্থানীয়দের দাবি, নিজেদের মানবাধিকার কর্মী, সাংবাদিক এবং বিভিন্ন প্রশাসনের সঙ্গে কাজ করার পরিচয় দিয়ে তারা বাড়িতে প্রবেশ করেন। এ সময় পুলিশ, আর্মি ও র‍্যাবসহ বিভিন্ন প্রশাসনের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ রয়েছে বলেও পরিচয় দেন।
মশিয়ার রহমান অভিযোগ করে বলেন, “পারিবারিক বিষয় সমাধানে আমরা কাউকে অভিযোগ করিনি। তারা রাতে বাড়িতে এসে প্রশাসনের পরিচয় দিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়েছে। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে অশালীন ভাষায় কথা বলেছে। হঠাৎ এমনভাবে বাড়িতে আসায় এলাকায় বিষয়টি ছড়িয়ে পড়ে, এতে আমাদের সম্মানহানি হয়েছে। আমরা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শাস্তি চাই।”
আটক হওয়া চারজন হলেন, সংগঠনটির ঢাকা অফিস থেকে আসা মো. ফোরকান, মো. আবুল কাসেম, মো. নাজমুল হোসেন এবং ডোমার উপজেলা সভাপতি মোছা. রুনা লায়লা। আটক ব্যক্তিরা জানান, পারিবারিক সমস্যার বিষয়ে মেয়ের পরিবার তাদের ঢাকার কার্যালয়ে মোবাইল ফোনে মৌখিকভাবে অভিযোগ জানিয়েছিল। তবে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি বা প্রশাসনকে না জানিয়েই রাতে ওই বাড়িতে যাওয়ার বিষয়টিও তারা স্বীকার করেন।
ঘটনার একপর্যায়ে পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসী মিলে চারজনকে একটি ঘরে আটকে রেখে পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং মুচলেকা নিয়ে তাদের উদ্ধার করে। ডোমার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শায়লা সাঈদ তন্বী বলেন, “মানবাধিকার সংগঠনটি কয়েকদিন আগে তাদের কমিটির কাগজপত্র নিয়ে এসেছিল। তবে ঘটনার দিন তাদের সঙ্গে প্রশাসনের কোনো যোগাযোগ হয়নি।”

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )