সে উল্লিখিত এলাকার আব্দুল শহীদের মেয়ে এবং মো. আফছার আলী স্ত্রী। গতকাল শুক্রবার (২৮ আগস্ট) ভোরে নীলফামারী জেলা মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একটি আভিযানিক দল সৈয়দপুর শহরের নিয়ামতপুর সুমনা ফিলিং স্টেশনের সামনে ষ্টার ট্রাভেলস নামের একটি বাস থেকে ওই গাঁজা উদ্ধারসহ নারী মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে সৈয়দপুর থানায় একটি মামলা হয়েছে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার (২৮ আগস্ট) ভোরে গোপন খবরের ভিত্তিতে নীলফামারী জেলা মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিদর্শক মো. সাকিব সরকারের নেতৃত্বে একটি আভিযানিক দল সৈয়দপুর শহরের নিয়ামতপুর সুমনা ফিলিং স্টেশনে সামনে অবস্থান নেয়।
এ সময় মাওনা থেকে পঞ্চগড়গামী ষ্টার ট্রাভেলস্ (নম্বর: ঢাকামেট্টো-ব-১২-১৩০৯) নামের বাসটি ভোর আনুমানিক সাড়ে চারটায় সময় সৈয়দপুর শহরের নিয়ামতপুর সুমনা ফিলিং স্টেশনের সামনে রংপুর-সৈয়দপুর মহাসড়কের উত্তর পাশে পৌঁছলে সেটিকে থামার সংকেত দেয়া হয়। এপর বাসটি থামলে এর এফ-১ নম্বর সিটের নারী যাত্রী সুলতানা রাজিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
জিজ্ঞাসাবাদে ওই নারী যাত্রীর স্বীকারোক্তি ও দেখানো অনুযায়ী বাসটির লকারে টোকেনযুক্ত অ্যাশ রঙের ট্রাভেল ব্যাগের মধ্যে বাদামী স্কচটেপ দিয়ে প্যাচানো অবস্থায় ৭টি প্যাকেট এবং অপর একটি সিনথেটিক ব্যাগের মধ্যে পলিথিনের ভেতর বাদামী রঙের স্কচটেপ দিয়ে মোড়ানো শুকনা গাঁজার দুইটি প্যাকেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত সাতটি প্যাকেটে ১৮ কেজি আটশত গ্রাম এবং দুইটি প্যাকেটে পাঁচ কেজি দুইশত গ্রাম গাঁজা পাওয়া যায়। যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ১০ লাখ টাকা।
এ ঘটনায় নীলফামারী জেলা মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিদর্শক মো. সাকিব সরকার নিজে বাদী হয়ে সৈয়দপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেছেন। মামলা নং-৪৬, তারিখ: ২৮/০৮/২০২৬ইং।
সৈয়দপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রেজাউল করিম রেজা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, গ্রেফতারকৃত আসামী সুলতানা রাজিয়াকে গতকাল শুক্রবারই নীলফামারী কারাগারে পাঠানো হয়েছে।