
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে কালবৈশাখীর ঝড়ে ১০টি পরিবারের ঘর-বাড়ি লন্ডভন্ড হয়েছে। ঝড়ে একই পরিবারের দুইজন আহত হয়েছে।
শুক্রবার রাত সাড়ে ১১ টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের চন্দ্রখানা জকারহাট এলাকায় এক আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে লন্ডভন্ড হয়েছে ১০টি পরিবারের ঘর-বাড়ি ঝড়ের আঘাতে পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন হয়েছে। এতে ২৫ টির মত ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো বর্তমানে কোন রকমে টিনের ছাপড়া তৈরি করে খোলা আকাশের নীচে মানবেতর অবস্থায় রয়েছে।
শনিবার বিকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, রাতে ঝড়ের কবলে আব্দুল হক মিয়ার বসতবাড়ির ৪টি টিনের ঘর পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। ঝড়ের আঘাতে দুই স্বামী – স্ত্রী আহত হয়েছেন। এছাড়াও ঝড়ে ওই এলাকার আবুল হোসেনের ৩, মোবারকের ২, সওকত আলীর ২, এরশাদুলের ২, আব্দুল হাকিমের ৩ ওবায়দুল হকের ২, শাহআলম মিয়ার ২,এরশাদুল হক ২ ও আসমা বেগমের ২ বসতঘর মুহূর্তের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
আব্দল হক মিয়া জানান, হঠাৎ বাড়ীর দক্ষিণ দিকে প্রচন্ড বেগে বাতাস ও ঝড় হাওয়া বিকট শব্দের আসতে থাকে। নিমিষেই আমাদের ঘরবাড়ী ও গাছপালা উপড়ে এবং উড়িয়ে নিয়ে যায়। এসময় ঘরের টিন গাছ উপড়ে পড়ে মারাত্মক আহত হয়েছি আমি ও আমার স্ত্রী ছলিমা বেগম। এমন ঝড় আগে কখনো দেখিনি বাহে ! আমার চোখের সামনে মুহূর্তের মধ্যে চারটি তছনছ করে দিয়েছে। শনিবার রাতটি মানুষের বাড়িতে থাকা ছাড়া আর কোন উপায় নেই।
মোবারক মিয়া ও ওবায়দুল হক জানান,
ঝড়ের তান্ডবে ঘরের বেড়া, চালের টিনসহ আসবাবপত্র তছনছ হয়ে গেছে। তারা আরও জানান ঝড়ের আঘাতে আমাদের ১০টি পরিবারে বসতঘর, আসবাবপত্রসহ প্রায় ১৮ থেকে ২০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানান। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো সরকারের সহায়তা কামনা করেন।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ণ কর্মকর্তা সিরাজ উদ্দৌলা জানান, আমি লোক পাঠিয়ে খোঁজখবর নিয়ে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জেনে দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সহায়তা করা হবে।
Related