অভিযোগকারীরা জানান, টিসিবি কার্ড, টিউবওয়েল, ভিজিএফ-ভিজিডি, মাতৃত্বকালীন ভাতা, বিধবা ভাতা, বয়স্ক ভাতা ও প্রতিবন্ধী ভাতাসহ বিভিন্ন সরকারি সুবিধা দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে নাবী হোসেন এক থেকে তিন হাজার টাকা পর্যন্ত নিয়েছেন। তবে টাকা নেওয়ার পরও তারা কোনো সুবিধা পাননি। এতে এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা ছড়িয়ে পড়েছে।
একাধিক ভুক্তভোগী বলেন, সরকারি সুযোগ-সুবিধার প্রতিশ্রুতি দিয়ে টাকা নেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত কোনো সুবিধা তাদের হাতে পৌঁছেনি।
এ প্রসঙ্গে ইউপি সদস্য নাবী হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমাকে ষড়যন্ত্র করে ফাঁসানোর চেষ্টা চলছে। আমি একজন নির্বাচিত প্রতিনিধি। ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচনে আমাকে বিপক্ষে দাঁড় করানোর জন্যই এসব অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।”
পাটগ্রাম উপজেলা জামায়াতের আমীর হাফেজ মো. শোয়েইব আহমেদ জানান, এ বিষয়ে কয়েকদিন আগে তিনি সংবাদ সম্মেলন করেছেন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে সরাসরি তার সঙ্গে দেখা করে বিষয়টি জানা যেতে পারে। তিনি আরও বলেন, “জামায়াতের নাম ভাঙিয়ে কেউ ব্যক্তিগত স্বার্থসিদ্ধি করতে পারে না। কেউ করলে সেটা সম্পূর্ণ তার ব্যক্তিগত বিষয়, এর দায়ভার দলের নয়।”
পাটগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উত্তম কুমার দাস জানান, লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সুবিধাবঞ্চিত মানুষের প্রাপ্য নিয়ে প্রতারণার ঘটনা নতুন নয়। তবে জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ এলাকাবাসীর আস্থা ও বিশ্বাসকে আরও নড়বড়ে করে তুলছে। সাধারণ মানুষের দাবি- গরিব-দুঃখীদের অধিকার যেন কেউ বঞ্চিত করতে না পারে, তার জন্য প্রয়োজন কঠোর নজরদারি, স্বচ্ছতা ও কার্যকর জবাবদিহিতা।