1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
পূজায় নারকেলের দাম আকাশচুম্বী মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তের নাগালের বাইরে | দৈনিক সকালের বাণী
সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ০৮:০১ অপরাহ্ন

পূজায় নারকেলের দাম আকাশচুম্বী মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তের নাগালের বাইরে

ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ২৯০ জন দেখেছেন

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা। ইতমধ্যে পুজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে। বাঙালির উৎসব মানেই খানাপিনার আয়োজন। আর পূজার খাবার মানেই সুস্বাদু-মুখরোচক সব আয়োজন। সাথে নানা ধরনের মিষ্টান্ন। এরই মধ্যে আড়ম্বর আয়োজনের মধ্য দিয়ে দেবী দুর্গাকে বরণ করেছেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। দশমীতে দেবীকে বিদায়ের আগপর্যন্ত চলবে এই পূজা-অর্চনা। পুজো উপলক্ষে একে অপরকে নিমন্ত্রণ করছেন তারা।

দুর্গাপূজায় বানানো হয় নানা ধরনের নাড়ু, মোয়া, পায়েশ, সন্দেশ। তার মধ্যে নারকেলের নাড়ু–, নারকেল গুড়ের সন্দেশ না থাকলে যেন জমে না পূজার ভোজ। এছাড়াও মন্দিরেও পূজার আচারে নারকেলের প্রয়োজন হয়। এ্জন্য অন্যান্য সময়ের চেয়ে এসময় এর চাহিদা বাড়ে কয়েক গুণ। এ সুযোগে দামও বৃদ্ধি পায়। বাজারে এর প্রভাব দেখা গেছে। দামের তেজ টের পাচ্ছেন ক্রেতারা।
পূজা উপলক্ষে চাহিদা বেড়েছে গুড় ও নারকেলের। দিনাজপুরের ফুলবাড়ী পৌর শহরসহ বিভিন্ন হাটবাজারে দেখা মিলছে থরে থরে সাজিয়ে রাখা নারকেলের পসরা। তা কিনতে ভিড় জমাচ্ছে ক্রেতারা। তবে দাম আকাশচুম্বী হওয়ায় মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তের নাগালের বাইরে রয়েছে। পৌর বাজার ঘুরে জানা যায়, বাজারে চাহিদা বাড়ার সাথে গুড় ও নারকেলের দাম বেড়েছে।

গত পূজায় এক জোড়া নারকেলের দাম ছিল আকারভেদে ১৫০-২০০ টাকা। সেই নারকেল এ বছর বিক্রি হচ্ছে ২৬০ থেকে ৩৫০ টাকা জোড়া। সে অনুযায়ী প্রতিটি নারকেলের দাম ১২০-১২৫ টাকা। এদিকে বেড়েছে গুড়ের দামও। যে গুড় গত বছর মিলেছে ৮০-৯০ টাকায়, সেই গুড় এ বছর বিক্রি হচ্ছে ১১০-১২০ টাকায়। বিক্রেতারা জানিয়েছেন, দুর্গাপূজা উপলক্ষে গুড় এবং ঝুনা নারকেলের চাহিদার চাপ প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। তবে দামও গুনতে হচ্ছে বেশি। সরেজমিন বাজারের গিয়ে জানা গেছে, মানভেদে প্রতি কেজি আখের গুড় বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকা ১২০টাকায়; যা আগের চেয়ে ১০ থেকে ২০ টাকা বেশি। অন্যদিকে আকার ও মানভেদে প্রতি জোড়া নাকিলে (দুইটি) ২৬০ থেকে ৩৫০ টাকা পর্যন্ত কিক্রি হচ্ছে। এতে করে প্রতি পিছ নারকেল বিক্রি হচ্ছে ১৩০-১৭০টাকা পর্যন্ত।

খুচরা বিক্রেতারা মফিজুল ইসলাম, রহিদুল ইসলাম ও আইয়ুব আলী জানান, আড়তে নারকেলের দাম বেশি, তাই বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। এসব নারকেল খুলনা, ভোলা, বরিশাল ও নোয়াখালী থেকে আসে। ব্যবসায়ীদের মতে, ডাবের চাহিদা এবং দাম বেশি থাকার কারণে নারকেলের দাম একটু বেশি। তারা আরও জানান, দাম বেশি হওয়ায় বেচা-কেনা কম হচ্ছে। অনেকে দাম সুনে ফিরে যাচ্ছেন।
ক্রেতা পরিতোষ কুমার বলেন, নারিকেল ছাড়া পূজার কথা ভাবাই যায় না। পূজায় আত্মীয়স্বজন বাড়িতে বেড়াতে আসে । তাদের আপ্যায়নে মিষ্টিজাতীয় খাবার করতে হয়। এর মধ্যে নারকেলের নাড়ু অন্যতম। তাই এ সময় চাহিদা, দাম উভয়ই বাড়ে। তিনি বলেন, আশ্বিন-কার্তিক মাসে সংসারে অভাব থাকে। কিন্তু অভাব যতই হোক, মা দুর্গার পূজায় ফলমূল, মোয়া, নাড়ু, নারকেল তো দিতে হয়। দাম বেশি হলেও কিনতে হবে। রাজারামপুর গ্রামের কল্পনা রানী বলেন, পূজা চলছে। বাড়িতে বাচ্চারা আছে, অতিথি এলে তাদেরও তো আপ্পায়ন করতে হবে। তাই দুটো নারকেল কিনলাম।

বিশ্বনাথ নামে আরেক ক্রেতা বলেন, দাম বেশি হলেও পুজোতে নারকেল এবং গুড় আমাদের কিনতেই হয়। তাই ৫২০টাকায় খোসাসহ চারটি নারকেল কিনেছি,২২০ টাকায় দুই কেজি গুড় কিনেছি।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )