
রংপুরের গঙ্গাচড়ায় তিস্তা নদীর মার্জিনাল ডাইক ব্লক পিচিং ধসে যাওয়াসহ ভাঙন আতঙ্কে রয়েছে কোলকোন্দ ইউনিয়ন পরিষদ থেকে গ্রোয়েন বাঁধ পর্যন্ত পুরো এলাকা ।
৩ আগষ্ট (সোমবার) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় ,তিস্তার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় উপজেলার কোলকোন্দ ইউনিয়ন পরিষদের তিস্তা নদীর ২০১৯ সালে নির্মিত মার্জিনাল ডাইকের ব্লক পিচিং ধস পরার পরে এবার পুরো এলাকা জুরে দেখা দিয়েছে ভাঙন ।এতে মার্জিনাল ডাইকেক পিচিং ধসে পরারসহ বসবাসকারী প্রায় ৫ শতাধিক পরিবার ভাঙন আতঙ্কে পরেছে।
যদি দ্রুত এই মার্জিনাল ডাইকেক পিচিং ভাঙন রোধে কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়া না হয়, তাহলে পুরো এলাকা ভেঙে গিয়ে ৫ শতাধিক পরিবার ভিটেমাটি হারা হওয়ার পাশাপাশি তিস্তা নদী বাম তীর রক্ষা বাঁধও ভাঙন ঝুঁকি পরবে।
কোলকোন্দ ইউনিয়ন বিএনপি সিনিয়র সহ সভাপতি আশরাফুজ্জামান বলেন, কোলকোন্দ ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের ইউনিয়ন পরিষদ থেকে শুরু করে মীর পাড়া হয়ে গ্রোয়েন বাঁধ পর্যন্ত পুরো এলাকা ভাঙন ঝুঁকিতে পরেছে। যদি দ্রুত ভাঙন প্রতিরোধে কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়া না হয়, তাহলে পুরো এলাকা ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। স্থানীয় মতলুবার রহমান বলেন, এই পচিংটা থাকার কারনে কোন রকমে বাড়ি করি আছি। যদি এবার বাড়ি ভাঙে তাহলে আর বাঁধে বাড়ি করা ছাড়া উপায় থাকপ্যার নেয়।
মনতাজ আলী বলেন, যদি এ্যালায় ভাঙন আটকা না যায়, হামার বাড়ি সারা নাগবে, মুল বাঁধটাও টিকপ্যার নেয়। জেলা যুবদল সদস্য ও উপজেলা যুবদল সিনিয়র সহ সভাপতি শামীম মিয়া বলেন,আমি পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের জানিয়েছি, কিন্তু এখন পর্যন্ত যথাযথ পদক্ষেপ নেয়া হয় নাই। নদী ভাঙন রোধে আমরা দ্রুত পদক্ষেপ চাই।
গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জেসমিন আক্তার বলেন, বিষয়টি নিয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে কথা হয়েছে। তারা কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহনের আশ্বাস দিয়েছেন ।
রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নবাগত নির্বাহী প্রকৌশলী বলেন, আমি আজই প্রথম অফিস করছি। পরিদর্শন সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করব। স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ড শুকনো সিজনে নীরব থাকে, যখন ভাঙন শুরু হয় তখন ভাঙন প্রতিরোধেও কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে গড়িমসি করে। ফলে আমরা প্রতিবছরই ফসলি জমি ও বসতবাড়ি ভেঙে যাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি। আমরা দ্রুত ভাঙন প্রতিরোধে ব্যবস্থা নেওয়ার জোড় দাবী জানাচ্ছি।
Related