


আইনজীবী মোস্তাকিম ইসলাম স্থানীয় খাদেমুল ইসলামের ছেলে। তিনি স্ত্রী রিমু বেগমকে সঙ্গে নিয়ে ওই বাসায় থাকতেন। সেখানে একই ইউনিটে তার বাবাসহ অন্য ভাইয়েরা আলাদাভাবে থাকতেন।
গতকাল দুপুরে মুঠোফোনে এসব তথ্য জানিয়েছেন রংপুর মহানগর পুলিশের কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আতাউর রহমান।
ওসি আরও জানান, শনিবার দিবাগত রাত একটার পর খবর পেয়ে আমরা ওই বাসার দ্বিতীয় তলায় গিয়ে দেখি অ্যাডভোকেট মোস্তাকিমের মরদেহ মেঝেতে পড়ে ছিল। সেখান থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
ওসি মো. আতাউর রহমান জানান, মরদেহ উদ্ধারের সময় মোস্তাকিমের গলায় ফাঁস দেয়ার ক্ষতচিন্হ দেখা যায়। তবে এটা হত্যা নাকি আত্মহত্যা, তা পুলিশ খতিয়ে দেখছেন। মরদেহের ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর জানা যাবে এটি আসলে আত্মহত্যা কিনা। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।