1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদনে, বিএনপি-জামায়াত সন্ত্রাসী দল | দৈনিক সকালের বাণী
বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ০১:১০ পূর্বাহ্ন

পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদনে, বিএনপি-জামায়াত সন্ত্রাসী দল

ডোমার (নীলফামারী) প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬
  • ২৬ জন দেখেছেন

নীলফামারীর ডোমার থানা পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদনে বিএনপি-জামায়াত সন্ত্রাসী ও নাশকতাকারী দল এবং বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীদের নাশকতাকারী ও সন্ত্রাসী বলে উল্লেখ করা হয়েছে। পলাতক ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের বিনা ভোটের এমপি ও পুলিশের তৎকালীন ডোমার থানার ওসি মোয়াজ্জেম হোসেন নামের এক পেটোয়া ওসির বিরুদ্ধে বিএনপি নেতার দায়ের করা মামলার আওয়ামী এমপি ও পুলিশের ওসিকে বাঁচাতে তদন্ত প্রতিবেদনে এ দাবি করে পুলিশ। এ ঘটনায় জেলাজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

জানা যায়, নীলফামারী-০১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আফতাব উদ্দিন সরকার ও তৎকালীন ডোমার থানার ওসি মোয়াজ্জেম হোসেন (বিপি-৭০৯৮০৬৬৮৮১) সহ অজ্ঞাতনামা ৩০/৪০ জনের বিরুদ্ধে জেলার ডোমার উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ বিন আমিন সুমন আদালতে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের উপর মামলা, হামলা, নির্যাতন, চাঁদাদাবির একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-জি.আর ১৬৫ (ডোম), তারিখ-০৩/১০/২০২৪।

মামলাটি তদন্ত শেষে ০৫/০২/২০২৬ তারিখে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে ডোমার থানা পুলিশ। তদন্তকারী কর্মকর্তা ডোমার থানার এসআই মানিকুল ইসলাম তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন যে, এ নেতারা পূর্বে দায়ের করা ভোটকেন্দ্রে হামলা, অগ্নিসংযোগ মামলার আসামি ছিলেন। যাদের মামলা নং-জিআর-৩/২০১৪ এবং জিআর-৪/২০১৪। অত্র মামলার বাদী বিএনপি নেতা মাসুদ বিন আমিন সুমন রাজনৈতিক দল বিএনপির ডোমার উপজেলা শাখার নেতা। ডোমার থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ মোয়াজ্জেম হোসেন ডোমার থানায় অফিসার ইনচার্জ হিসেবে কর্মরত থাকাকালে বিগত ০৫/০১/২০১৪ ইং তারিখে দেশব্যাপী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত নির্বাচনে প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে জামায়াত-বিএনপি অংশগ্রহণ না করে তৎসময়ে জামায়াত ও বিএনপির নেতাকর্মীগণ সারাদেশের মতো ডোমার থানা এলাকাতেও বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে হামলা, অগ্নিসংযোগসহ ব্যাপক নাশকতা করে। এ কারণে উক্ত পৃথক পৃথক ঘটনার প্রেক্ষিতে ডোমার থানায় পৃথক পৃথক নাশকতার মামলা দায়ের করা হয়, যার জিআর মামলা নং-০৩/১৪ ও ০৪/১৪।

অত্র মামলার বাদী মাসুদ বিন আমিন সুমনসহ অপরাপর নেতা হারুন অর রশিদ, পারভেজ ও রতন আলীগণ জিআর-৩/২০১৪ এবং জিআর-৪/২০১৪ মামলার তদন্তে প্রাপ্ত আসামি। গত ১৪/০৩/২০১৫ ইং তারিখে ডোমার থানায় কর্মরত অফিসার ইনচার্জ মোয়াজ্জেম হোসেন বিএনপি নেতা মাসুদ বিন আমিন সুমনকে জিআর মামলার আসামি হিসেবে গ্রেফতার করেন।

এর ফলে বিএনপি নেতা সুমনের দায়ের করা আওয়ামী লীগের এমপি ও ওসির বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার কোনো সত্যতা নেই। সেই কারণে মামলা হতে সাবেক সংসদ সদস্য আফতাব উদ্দিন সরকার ও তৎকালীন ডোমার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোয়াজ্জেম হোসেন, বিপি-৭০৯৮০৬৬৮৮১, বর্তমান পদবি সহকারী পুলিশ সুপার, র‌্যাব-৫, রাজশাহী, সহ সকলের বিরুদ্ধে বাদীর আনীত অভিযোগ ও অপরাধের দায় হতে অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে।

উল্লেখ্য যে, ২০১৪ সালে ফ্যাসিস্ট আমলে দায়ের করা ভোটকেন্দ্রে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের জিআর ০৩/১৪ ও ০৪/১৪ নং মামলায় ২০২৪ সালে বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীগণ আদালত কর্তৃক বেকসুর খালাসপ্রাপ্ত হন। অসত্য মামলা দুটির সূত্র ধরে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে দল হিসেবে জামায়াত-বিএনপির বিরুদ্ধে নতুন করে অভিযোগ আনে এ পুলিশ কর্মকর্তা। যে তদন্ত প্রতিবেদনে স্বাক্ষর ও প্রতিস্বাক্ষর করেন ডোমার থানার অফিসার ইনচার্জ হাবিবুল্লাহ, এএসপি নিয়াজ মোর্শেদ ও পুলিশ সুপার শেখ জাহিদুল ইসলাম।

এ ব্যাপারে বিএনপি নেতা মাসুদ বিন আমিন সুমন জানান, আওয়ামী লীগের এমপি আফতাব ও ওসি মোয়াজ্জেমকে বাঁচাতে কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। তাদেরকে বাঁচাতে বিএনপি-জামায়াতের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে পুলিশ। এ ব্যাপারে ডোমার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাবিবুল্লাহ জানান, “এ ব্যাপারে আমি কিছু জানি না। তদন্ত অফিসার মানিকুল জানে।” এর বেশি তিনি বলতে রাজি নন।

এ ব্যাপারে ডোমার থানার এসআই ও তদন্তকারী কর্মকর্তা মানিকুল ইসলাম জানান, ঊর্ধ্বতন অফিসারের কনসার্ন ছাড়া তিনি কিছু বলতে পারবেন না।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )