কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের অধিনস্থ জেলার সকল সরকারি খাদ্য গুদামের টিআই (খাদ্য পরিদর্শক)
শাহেদ আলম।তবে এই তদন্ত কমিটিকে কত দিনে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে ও কি-কি বিষয়ে তদন্ত করতে বলা হয়েছে সে বিষয়ে বলতে নারাজ কমিটি প্রধান।এর আগে গত ১৯ মে দৈনিক সকালের বাণীর প্রথম পাতায় “দুই কর্মকর্তার লাখ টাকা ঘুষ বাণিজ্যে ক্ষতি দেড় কোটির বেশি” শিরোনামে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন ও গত ২২ মে একি পত্রিকার শেষ পাতায় “দুই কর্মকর্তার ঘুষ বাণিজ্যে নিরব কর্তৃপক্ষ,টিসিবির ডিলারদের পঁচা-দুর্গন্ধযুক্ত চাল বিক্রির অভিযোগ” শিরোনামে ফলোআপ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
এ বিষয়ে জানতে চেয়ে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সৈয়দ আতিকুল হককে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।এমনকি খুদেবার্তা পাঠিয়েও কোনো সারা মেলেনি।তবে তদন্ত কমিটির প্রধান জলঢাকা উপজেলার খাদ্য নিয়ন্ত্রক গোলাম মোস্তফা বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন,আমাদের তদন্ত এখনো শেষ হয়নি।
প্রয়োজনে আমরা আরো সময় বাড়িয়ে নিব।আমারতো আরো কাজ আছে।কি-কি বিষয়ে তদন্ত করতে ও কতদিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে সে বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন,কমিটির কাগজটি এই মুহুর্তে আমার কাছে নেই!এ সময় তদন্ত কমিটির একটি কপি চাইলে তিনি তাও দিতে অস্বীকৃতি জানান।