শুক্রবার রাতে ধর্ষণ মামলার আসামি ওই হোটেল মালিককে গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার রমনা ইউনিয়নের রমনা ফেরিঘাট এলাকায়।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, জেলার উলিপুর উপজেলাধীন ঘুঘুমারীরচর এলাকার দম্পতি খালার বাড়ী সৈয়দপুর থেকে নিজ এলাকা ঘুঘুমারীরচরে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বৃহস্পতিবার(২৮মে) রাতে রমনা ফেরিঘাটে আসে। কিন্তু রমনা ঘাটে পৌঁছাতে বিলম্ব হওয়ায় নৌকার টাইম পার হয়ে যায়। বিকল্প পথ না পেয়ে রাত্রি যাপনের উদ্দেশ্যে রমনা ঘাট এলাকায় অবস্থিত হোটেল কলি নামে একটি আবাসিক হোটেলে অবস্থান করেন তারা।
হোটেলে ওঠার কিছুক্ষণ পরে ওই নারীর স্বামী তার স্ত্রী ও ৮মাসের সন্তানকে হোটেলে রেখে খাবার কেনার জন্য থানাহাট বাজারে যায়। বাজার থেকে খাবার নিয়ে হোটেলে পৌঁছার পর তার স্ত্রী কান্নাকাটি করে জানায় হোটেল মালিক মোঃ কবির মিয়া(৪৫) তাকে শিশু সন্তানের সামনে জোরজবরদস্তি করে ধর্ষণ করেছে। স্ত্রীর কথা শোনার পরে তার স্বামী হোটেল কর্তৃপক্ষকে বললে তারা বিষয়টি এড়িয়ে যায়।
পরবর্তীতে শুক্রবার ২৯মে দুপুরে ভিকটিমের স্বামী স্থানীয় মেম্বার মোঃ রুকুনুজ্জামান স্বপন এর সাথে লোক মাধ্যমে যোগাযোগ করেন।স্বপন মেম্বার এবং স্থানীয় লোকজন বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়।
এদিকে ভিকটিমের স্বামী ৯৯৯নাম্বারে ফোন করে পুলিশকে অবগত করলে শুক্রবার ২৯ মে সন্ধায় ঘটনাস্থল থেকে ভিকটিমসহ তার স্বামী এবং শিশু সন্তানকে উদ্ধার করে চিলমারী থানা পুলিশ। পরে নির্যাতিত ওই নারীর স্বামী বাদী হয়ে চিলমারী থানায় ধর্ষণ মামলা করলে শুক্রবার রাতে আসামী কবির মিয়াকে উপজেলার সরকারপাড়া এলাকা থেকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে।
চিলমারী মডেল থানার ওসি নয়ন কুমার জানান, ধর্ষণ মামলার আইনি প্রক্রিয়া শেষে আসামিকে গ্রেফতার করে কুড়িগ্রাম জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে।