
রংপুরের গঙ্গাচড়ার শেরপুর পুটিমারী উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে ভুয়া প্রশংসাপত্র দিয়েছেন সহকারী শিক্ষক যথীন্দ্র নাথ রায় ও শাহনাজ পারভীন।
জানা যায়, শেরপুর পুটিমারী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত)হিসেবে কর্মরত আছেন নমিতা রানী। যদিও প্রধান শিক্ষক ( ভারপ্রাপ্ত)এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মাঝে প্রশংসাপত্র প্রদান করেছেন।
অন্যদিকে ক্ষমতার অপব্যবহার করে নিজেকে প্রধান শিক্ষক জাহির করতেই সহকারী শিক্ষক যথীন্দ্র নাথ রায় সেকেন্ডারি স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষা ২০২৪ এ উত্তীর্ণ ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে নিজ স্বাক্ষরিত প্রশংসাপত্র প্রদান করেন। নিয়ম অনুযায়ী প্রস্তুু্তকারী হিসেবে অফিস সহকারীর স্বাক্ষর করার নিয়ম থাকলেও, সেই জায়গায় প্রস্তূতকারী হিসাবে স্বাক্ষর করেছেন সহকারী শিক্ষক শাহনাজ পারভীন। এছাড়াও সহকারী শিক্ষক যথীন্দ্র নাথ এর বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীর হাজিরা খাতা চুরি ,বিদ্যালয়ের টেবিল, বেজ, নতুন ও পুরাতন বই, খাতা ইত্যাদি কর্তৃপক্ষকে না জানিয়ে বিক্রয়সহ নানা অভিযোগ রয়েছে।
সহকারী শিক্ষক শাহনাজ পারভীন বলেন, প্রশংসাপত্রে যথীন্দ্র নাথ স্যার আমাকে স্বাক্ষর করতে বলছে তাই আমি স্বাক্ষর করছি। আপনি যথীন্দ্র স্যারকে জিজ্ঞেস করেন তিনি কেন আমাকে স্বাক্ষর করতে বলেছেন।
সহকারী শিক্ষক যথীন্দ্র নাথ রায়কে প্রতিষ্ঠানে পাওয়া না গেলে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এবিষয়ে কথা বলতে চাই না, আপনি আবারও স্কুলে আসেন।
এবিষয়ে প্রধান শিক্ষক নমিতা রানী বলেন, আমি এ বিষয়টি জানতে পেরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও বিদ্যালয়ের সভাপতির কাছে লিখিত অভিযোগ করেছি।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এস আর ফারুক বলেন, প্রশংসাপত্র শুধু মাত্র প্রধান শিক্ষক দিতে পারেন এটা নিয়ম বহির্ভূত।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদ বলেন, অবশ্যই এটা আইন বহির্ভূত। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
Related