জানা গেছে, এই পদ্ধতিতে প্রতি ৫০ শতক জমিতে কোনাকুনিভাবে ধান বা অন্য ফসলের ২০টি করে গোছা নির্বাচন করা হয়। প্রতি গোছায় ক্ষতিকর ও উপকারী পোকা এবং পাতার সংখ্যা গণনা করে তা লিপিবদ্ধ করে রাখা হয়,অতন্দ্র জরিপের মাধ্যমে রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়ার আগেই সতর্ক হতে পারছেন চাষিরা। সেইসঙ্গে পোকার আক্রমণ থেকে ফসল রক্ষা করাও সম্ভব হচ্ছে। ফলে দিন দিন এই পদ্ধতি জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। এক্ষেত্রে কৃষকরাই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারেন।
ফলে আর্থিকভাবে লাভবান হবেন কৃষকরা,
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোহর আলী জানান, অতন্দ্র জরিপ নিয়ে আমরা মাঠ পর্যায়ে কাজ করছি রোগবালাই থেকে ফসল রক্ষায় অতন্দ্র জরিপ খুবই কার্যকর পদ্ধতি। এই পদ্ধতি অনুসরণ করলে কীটনাশক ও রাসায়নিক সারের ব্যবহার কমে আসবে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তানিয়া আকতার জানান , ফসলে রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ার আগেই ‘অতন্দ্র জরিপের মাধ্যমে সতর্ক হতে পারবেন চাষিরা। সে সঙ্গে পোকার আক্রমণ থেকে ফসল রক্ষা করাও সম্ভব হবে। এজন্য এ পদ্ধতি কৃষকের নিকট জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।