সোমবার সকাল ৬টায় এ উপজেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। সেই সাথে ৮ থেকে ১২ কিলোমিটার বাতাসের বেগ বিরাজ করছে। আবহাওয়ার পরিবর্তনে শীতজনিত নানা সমস্যায় ভুগছে শিশু-ও বৃদ্ধরা।
অন্য দুই দিনের চেয়ে সোমবার (১ লা ডিসেম্বর) ভোর থেকে সকাল ১০ টা পর্যন্ত চারিদিকে ঘনকুয়াশা চাদরে ঢাকা ছিল এ জনপদ। সকাল ১০ টার পর এ উপজেলায় সূর্যের দেখা মেলে।
ফলের শীতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় খেটে খাওয়া শ্রমজীবী ও কৃষকরা ঠান্ডায় কাঁপছে। তবুও থেমে নেই, তীব্র শীকে ফসলের কর্ম ব্যস্ততা পাড় করছেন।
কুরুষাফেরুষা এলাকার কৃষক কবির হোসেন ও সাইদুল ইসলাম জানান, যতই শীত ও ঠান্ডার প্রকোপ বাড়ুক না কেন আমাদের কাজ করাই লাগবে। তবে দিন যতই যাচ্ছে ততই ঘনকুয়াশা ও ঠান্ডার প্রকোপ বেড়েই যাচ্ছে।
কুড়িগ্রামের রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার জানান, সোমবার সকাল ৬টায় এ উপজেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। সেই সাথে ৮ থেকে ১২ কিলোমিটার বাতাসের বেগ বিরাজ করছে।
কুয়াশা পড়ার সাথে দিন দিন তাপমাত্রা কমে শীতের তীব্রতা বাড়বে।